ভৈরবে করোনা উপসর্গ নিয়ে তৃতীয় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
মঙ্গলবার, ২রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ভৈরবে করোনা উপসর্গ নিয়ে তৃতীয় ব্যবসায়ীর মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আরও এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে তৃতীয় ব্যবসায়ীর মৃত্যু হলো ভৈরবে। তবে মাছ ব্যবসায়ী অমিয় চন্দ্র দাসের করোনায় মৃত্যু নিশ্চিত হলেও উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সবজী ব্যবসায়ী জানে আলম ওরফে শাহ আলমের প্রতিবেদন এখনও আসেনি। এর মধ্যে একই উপসর্গ নিয়ে আরেক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

মাছ ও সবজী ব্যবসায়ীর পর এবার করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন কাঠ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম (৭০)। তিনি শহরের দক্ষিণ পাড়া আব্দুর রহমান গেইট রোডের বাসিন্দা এবং ভৈরব বাজারের কাঠপট্টি এলাকার একজন কাঠের পুরাতন দরজা-জানালা বিক্রেতা।

পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভৈরব উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: বুলবুল আহম্মদ জানান, কয়েকদিন যাবত তিনি জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার হঠাৎ তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আইআইআরডিসিআরের বিধান অনুসরণ করে দাফন কাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ ছাড়াও আজ শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তারা হোমকোয়ারেন্টিনে থাকবেন। তাদের বাড়ি ও আশে পাশের বাড়ি ঘরের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

এর আগে ১৫ মে শুক্রবার রাতে ভৈরব শহরের দক্ষিণ চন্ডিবের এলাকার স্বর্গীয় সূচনী চন্দ্র দাসের ছেলে অমিয় চন্দ্র দাস (৬০) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি উপসর্গ নিয়ে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুর প্রতিবেদনে জানাযায় তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।

এরপর গত মঙ্গলবার জানে আলম ওরফে শাহ আলম মোল্লা (৩৮) নামে আরও এক ব্যক্তি করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। শহরের চন্ডিবের মোল্লা বাড়ির নিজ বাড়িতে মারা যান। তিনি মোল্লা বাড়ির মনসুর মোল্লার ছেলে। এবং মেঘনা ফেরিঘাট পংকু মিয়া বাজারের একজন সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ