স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদে গ্রামে যাওয়া যাবে: র‌্যাব ডিজি
মঙ্গলবার, ২রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদে গ্রামে যাওয়া যাবে: র‌্যাব ডিজি

যে কেউ চাইলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উপলক্ষে গ্রামের বাড়ি যেতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে নিজস্ব পরিবহন থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যে কেউ ব্যক্তিগত গাড়িতে গ্রামের বাড়ি যাওয়া আসা করতে পারবেন। তবে কোনোভাবেই গণপরিবহনে যাতায়াত করা যাবে না।

আসন্ন ঈদুল ফিতর ও চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে গৃহীত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তিনি একথা জানান।

ঈদের আগে হঠাৎ ব্যক্তিগত গাড়িতে চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া কি সঠিক সিদ্ধান্ত- জানতে চাইলে এলিট ফোর্সটির প্রধান বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটা আমরা পালন করছি। তারা (সরকার) হয়ত যথাযথ সিদ্ধান্তই নিয়েছে। তবে গণপরিবহণ তো চলছে না। যারাই ঢাকার বাইরে যাচ্ছেন বা আসছেন অবশ্যই স্বাস্থ্য বিধি মেনেই আসছেন।

ঈদের পরে ছুটি শেষে যখন মানুষ ফিরবে তখন তো আবার করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন প্রশ্নে র‌্যাব ডিজি বলেন, সবাইকে আহ্বান করব সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভালো মতো ফিরবেন। গাদাগাদি করে ফিরবেন না।

মতবিনিময়কালে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, আমরা প্রতিবছর খোলা আকাশের নিচে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে থাকি। কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকারি নির্দেশনা মতে মসজিদগুলোতে একটা নির্দিষ্ট সময় বিরতিতে একাধিক ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এই ঈদের নামাজকে ঘিরে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ন্যায় র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, অন্যান্যবার ঈদের নামাজকে ঘিরে অল্প সময়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন হতো। কিন্তু এবার মসজিদে ঈদের নামাজ হওয়ার কারণে দীর্ঘসময় ধরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। সেজন্য মসজিদ কমিটি ও সম্মানিত মুসল্লিদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মসজিদে আসবেন, লাইন ধরে আসবেন, নামাজ শেষে একটা নির্ধারিত সময় গ্যাপ দিয়ে পরের ঈদের দ্বিতীয় বা তৃতীয় নামাজে জামাতের আয়োজন বা ব্যবস্থা করবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, এবার ঈদের দিনে বিনোদনের নামে ঘোরাঘুরির বা কোনো বিনোদন কেন্দ্রে, দর্শনীয় স্থানে জমায়েত করা যাবে না। অনুরোধ করব, আপনারা ঘরেই থাকবেন। বিনোদন কেন্দ্র বা দর্শনীয় স্থানগুলোতে র‌্যাবের নজরদারি থাকবে। জমজমাট ঈদ উদযাপন না হয় অন্য কোনো ঈদে করা যাবে।

ঈদুল ফিতরের নামাজকে ঘিরে এবং এই করোনার মধ্যে উগ্রবাদী, সন্ত্রাসী কিংবা জঙ্গিবাদী কোনো হুমকি বা হামলার ব্যাপারে শঙ্কা আছে কি-না জানতে চাইলে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, এই সংকটময় মুহূর্তে র‌্যাব তাদের দায়িত্ব পালনে পিছপা হয়নি বরং চলমান যে প্রক্রিয়া সেটা আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত রেখেছে। করোনা সংকট র‌্যাবকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। দেশ ও জনগণের পাশে থাকবে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ