শেষ দিনে ব্যাংক লেনদেনে আম্ফান-করোনার প্রভাব
বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

শেষ দিনে ব্যাংক লেনদেনে আম্ফান-করোনার প্রভাব

ঈদের আগে ব্যাংকের শেষ কার্যদিবসে ব্যাংকগুলোতে লেনদেনের চাপ ছিল একেবারেই কম। একান্ত জরুরি লেনদেনের জন্য কেউ কেউ ব্যাংকে আসেন। নগদ টাকা তোলা ও জমা দিতে আসা গ্রাহকই ছিল বেশি। এবার শবে কদরের ছুটির সাথে দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি এবং এর পরের তিনদিন ঈদের ছুটিসহ টানা ছয় দিনের ছুটি রয়েছে। ছুটির আগে সর্বশেষ ব্যাংক খোলা ছিল আজ বুধবার। এইদিন ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির কারণে ব্যাংক শাখাগুলোতে তুলনামূলক কম ভিড় করতে দেখা যায় গ্রাহকদের।

তবে এবার মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ ঠেকাতে বাড়তি ভিড় এড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নতুন নোট বিনিময় বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম। এ কারণেও রাজধানীর ব্যাংক পাড়া মতিঝিলে ছিল না ঈদ কেন্দ্রিক লেনদেনের চাপ। তাছাড়া তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস দেয়ার সুবিধার্থে আগামী শুক্রবার ও শনিবার পোশাক শিল্প এালাকাগুলোর ব্যাংক শাখা খোলা থাকছে। এ কারণেও বুধবার ব্যাংক শাখাগুলোতে করপোরেট গ্রাহকদের আনাগোনা কম ছিল।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের কেরানীগঞ্জ, আবদুল্লাহপুর শাখার কর্মকর্তারা জানান, গত দুই সপ্তাহে ওই শাখায় লেনদেন বেশ ভাল ছিল। সেই তুলনায় বুধবার শেষ কর্মদিবসে লেনদেন ছিল অনেক কম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেসরকারি একটি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, ওই শাখায় প্রতিদিন বেলা ১২টার মধ্যে ৭-৮টি রেমিট্যান্স ছাড়ের অর্ডার পাওয়া যেত। কিন্তু বুধবার পাওয়া গেছে মাত্র দুইটি অর্ডার।

জানা গেছে, অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবার ঈদের আগে কর্মীদের বোনাস দিতে পারেনি, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ঈদের পরেও বোনাস দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে। ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, এটাই বাস্তবতা। দেশের সামগ্রিক ব্যবসা বাণিজ্য গত দেড় দুই মাস ধরে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। বড় বড় মার্কেটগুলো বন্ধ। বেচাকেনা স্বাভাবিক থাকলে এই টাকাগুলো আবার ব্যাংকে ঢুকত। সব কিছু মিলিয়ে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে দেশের ব্যাংক খাত ঈদ উদযাপনের দিকে এগোচ্ছে।

অর্থসূচক/জেডএ/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ