রেস্তোরাঁর কোটা পূর্ণ, প্রধানমন্ত্রী তাই বাইরে দাঁড়িয়ে
মঙ্গলবার, ২রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

রেস্তোরাঁর কোটা পূর্ণ, প্রধানমন্ত্রী তাই বাইরে দাঁড়িয়ে

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বেশ কিছুদিন হলো লকডাউন তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তবে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি এখনো কার্যকর।করোনার নতুন সংক্রমণ এড়াতে দেশটিতে হোটেল-রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে কতজন অবস্থান করতে পারবেন সেই সংখ্যাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেশটিতে বেশ কড়াকড়িভাবেই মানা হচ্ছে তা। আর তাতেই একটি রেস্তোরাঁয় নিজের বন্ধুকে নিয়ে কফি খেতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন খোদ দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা অডবার্ন। রেস্তোরাঁর গেটে তাকে আটকে দিয়ে জানানো হয়, ভেতরে জায়গা নেই। সুবোধ মানুষের মতো তা মেনে নিয়ে বন্ধুসহ বেশ কিছুক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। এরপর একটি টেবিল খালি হলে তাকে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

খবর গার্ডিয়ান ও ফক্স নিউজের

পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে একই সময়ে গ্রাহক সংখ্যা ১০০ তে সীমাবদ্ধ রাখছে নিউজিল্যান্ডের রাজধানী অকল্যান্ডে অলিভ রেস্তোরাঁ।


প্রিয় পাঠক,করোনাভাইরাস সংক্রান্ত দেশ-বিদেশের নির্বাচিত নিউজ ও টিপস এখন থেকে পাওয়া যাবে আমাদের

ফেসবুক গ্রুপ Corona: News & Tips এ। গ্রুপটিতে যোগ দিয়ে সহজেই থাকতে পারেন আপডেট।


নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা অ’ডুর্ন ও তার সঙ্গী গ্যাফোর্ড  যখন যান সেখানে তখন তাদের কোটা পূর্ণ হয়ে যায়। রেস্তোরাঁয় ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় তাদের। অগত্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয় কয়েক মিনিট।

যুক্তরাজ্যের দৈনিক গার্ডিয়ান জানায়, শনিবার ছুটির দিনে সঙ্গী ক্লার্ক গ্যাফোর্ডকে নিয়ে রাজধানী ওয়েলিংটনের ওই ক্যাফেতে ঢুকতে গিয়ে বাধা পান জেসিন্ডা অ’ডুর্ন।

শনিবার দুপুরের দিকে জোয়ি নামে একজন টুইটারে লেখেন, হায় খোদা! এই মাত্র জেসিন্ডা অ’ডুর্ন অলিভ রেস্তোরাঁয় এসেছিলেন, কিন্তু তাকে ঢুকতে দেওয়া হযনি, কারণ এটি পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।

তার এই টুইট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়ায় হয়ে ওঠে আলোচনার খোরাক।

কয়েক ঘণ্টা পর ওই টুইটের জবাব দেন অ’ডুর্নের ‘পার্টনার’ গ্যাফোর্ড। বিব্রতকর পরিস্থিতির দায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে তিনি বলেন, তার উচিৎ ছিল বুকিং দিয়ে রাখা, যা তিনি করেননি।

এ বিষয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একজন মুখপাত্র গার্ডিয়ানকে বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকারি নির্দেশনা মানার ফলে এই সময়ে কোনো ক্যাফেতে ঢুকতে যে কারও অপেক্ষা করতে হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা। আর প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনিও অন্য সবার মতো অপেক্ষা করছিলেন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড জানিয়েছে, পরে প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত ওই রেস্তোরাঁয় ঢুকতে পেরেছিলেন।

রেস্তোরাঁটির একজন মালিক বলেছেন, ঘটনার সময় দায়িত্বরত ব্যবস্থাপক প্রধানমন্ত্রী ও তার সঙ্গীকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু কয়েক মিনিট পরই একটি টেবিল খালি হলে ব্যবস্থাপক দৌড়ে বাইরে যান এবং তাদের নিয়ে আসেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ