প্রখ্যাত সাহিত্যিক দেবেশ রায় আর নেই
মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

প্রখ্যাত সাহিত্যিক দেবেশ রায় আর নেই

প্রখ্যাত সাহিত্যিক দেবেশ রায় আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত ১০ টা ৫০ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের বাগুইআটির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

জানা গেছে, বুধবার তাকে তেঘরিয়া অঞ্চলের ঊমা নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে ভেন্টিলেশনে নেন। সেখানেই আজ রাতে মারা যান তিনি।

ভারতের দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন এই সাহিত্যিক। ভার্টিগোজনিত সমস্যার কারণে শারীরিক ভারসাম্যের অভাবেও ভুগছিলেন তিনি।

বাংলা সাহিত্যের এই প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার জীবনের একটা বড় অংশ কেটেছে উত্তরবঙ্গে।

ভারতের কলকাতার ‘এই সময়’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দেবেশ রায়ের বেড়ে ওঠা উত্তরবঙ্গে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সময় থেকেই প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। রাজনীতির সূত্রেই পুরো উত্তরবঙ্গ চষে বেড়ান। শিখেছিলেন রাজবংশী ভাষা। কলকাতায় থাকাকালীন সক্রিয় ভাবে ট্রেড ইউনিয়ন করায় শ্রমিক সমাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। এসবের পাশাপাশি সাহিত্য চর্চা করতেন। ১৯৭৯ সাল থেকে এক দশক পরিচয় পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। তার প্রথম উপন্যাস ‘যযাতি’। ‘আহ্নিক গতি ও মাঝখানের দরজা’, ‘দুপুর’, ‘পা’, ‘কলকাতা ও গোপাল’, ‘পশ্চাৎভূমি’, ‘ইচ্ছামতী’, ‘নিরস্ত্রীকরণ কেন’, ও ‘উদ্বাস্তু’- এই আটটি গল্প নিয়ে বেরিয়েছিল তার প্রথম গল্পের সংকলন। ‘তিস্তাপারের বৃত্তান্ত’ তার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস। তার রাজনৈতিক বীক্ষার ছাপ রয়েছে এই উপন্যাসে। রয়েছে উত্তরবঙ্গের জীবনের বহতা ধরা। বাস্তববাদী উপন্যাসের প্রচলিত ছক থেকে সরে গিয়ে বহুস্বরকে নিয়ে আসেন। এই উপন্যাসের জন্যেই ১৯৯০ সালে তিনি সাহিত্য অ্যাকাদেমি পুরস্কার পান।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ