ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যার প্রধান আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত
মঙ্গলবার, ২রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যার প্রধান আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চম্পা বেগম (১৮) নামে এক তরুণীকে গণধর্ষণ ও গাড়ির নিচে ফেলে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিএনজি অটোরিকশা চালক সাজ্জাদ হোসেন (৪০) পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

আজ (১২ মে) ভোররাতে এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের চকরিয়ার কোনাখালী মরংঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাজ্জাদ পেকুয়া উপজেলা সদরের শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

এর আগে সোমবার স্থানীয়রা চম্পা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে নিজ এলাকা পেকুয়া সদর ইউনিয়নের শেখের কিল্লা ঘোনা থেকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে। সে ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। পরে তাকে চকরিয়া থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম সফিকুল আলম চৌধুরী জানান, বিবাহিত তরুণী চম্পা বেগম গত ৬ মে চট্টগ্রাম থেকে এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে কক্সবাজার আসার সময় পেকুয়ায় এসে গাড়ি বদল করে। পেকুয়া থেকে চকরিয়ার দিকে আসার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠলে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চকরিয়ার কোনাখালীর মরংঘোনার নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে দুই সিএনজি চালক। এর পর চলন্ত অটো থেকে অপর গাড়ির সামনে ছুঁড়ে ফেলে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় তরুণী চম্পাকে। ঘটনার পর দিন র‍্যাব গ্রেপ্তার করে প্রধান সন্দেহভাজন আসামি ধর্ষক সাজ্জাদের সহযোগী অটোচালক জয়নাল আবেদীনকে। সে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা নন্দীরপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। জয়নালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয় সাজ্জাদকে।

সফিকুল আলম আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ স্বীকার করে তরুণী চম্পাকে ধর্ষণের সময় আগ্নেয়াস্ত্র মাথায় উঁচিয়ে জিম্মি করে ধর্ষণ করার কথা। সেই অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে ধর্ষক সাজ্জাদের সহযোগী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ২০ মিনিট ধরে উভয়পক্ষে গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে পিছু হটে সাজ্জাদের অস্ত্রধারী সহযোগীরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষক সাজ্জাদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ, দেশে তৈরি দুটি এলজি, বেশ কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি ও ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ সাজ্জাদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ