রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও আয়ে প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ

Export_Item
তৈরি পোশাক, চিংড়ি ও চামড়া- ফাইল ফটো
Export_Item
ফাইল ফটো

রপ্তানি বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও আয় বৃদ্ধির হার ডাবল ডিজিটে পৌঁছেছে। আর এ আয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে তৈরি পোশাক খাতসহ হিমায়িত খাদ্য, লেদার, কৃষিজাত পণ্য, রাবার, কার্পেট জাত পণ্য রপ্তানি। গত এপ্রিল মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ শতাংশ। তবে এবারও রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতমাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৪১ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে ২৪৮ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রা বিপরীতে রপ্তানি আয় হয়েছিল ২০৭ কোটি ৯১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

এর আগের মাসে অর্থাৎ মার্চ মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ছিলো ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এ সময় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রবৃদ্ধি কমে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। রপ্তানি আয় হয় ২৪১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকে প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়ায় সামগ্রিক রপ্তানি আয়ের হার কমে গেছে। আর তা হয়েছে তৈরি পোশাক খাতে বছরভর চলমান অস্থিরতা এবং হরতাল-অবরোধসহ রাজনৈতিক সহিংসতার প্রভাবে। সেই প্রভাব থেকে খাতটি এখনও ঘুরে দাঁড়াতে না পারার কারণে এই হার ধারিাবাহিকভাবে কম আসছে।

গত মার্চ মাসে খাতটির নীট ও ওভেনে প্রবৃদ্ধি হয়েছিলো যথাক্রমে ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। তবে এবার সামান্য বেড়েছে। গত মাসে এই খাত দুইটিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এদিকে হিমায়িত খাদ্যে ২৩ দশমিক ৩১ শতাংশ, কৃষিজাত পণ্যে ১৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, রাবারে ২৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ, চামড়াজাত পণ্যে ৩৩ দশমিক ৯০ শতাংশ, ফার্নিচার পণ্যে ৩৯ দশমিক ৭২ শতাংশ ও কার্পেট পণ্য ৪৭ দশমিক ২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

তবে এর আগের মাসের মতো এবারও সোনালী আঁশ পাটে রপ্তানি আয় কমেছে।

মার্চ মাসের ২০ দশমিক ০১ শতাংশ কমার পরে এবার নেমেছে ২১ দশমিক ০৯ শতাংশে। এছাড়া পেট্রোলিয়াম উপ-পাত পণ্যে ৪২ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যে কমেছে ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্যে কমেছে ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।

এসইউএম/সাকি