শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২০
Home App Home Page ব্যবসা পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা চায় ডিসিসিআই

ব্যবসা পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা চায় ডিসিসিআই

ব্যবসা পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা চায় ডিসিসিআই

করোনায় বিপর্যস্ত দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য। বেশিরভাগ শিল্পকারখানা বন্ধ। কর্মহীন বিপুলসংখ্যক মানুষ। এমন প্রেক্ষাপটে ব্যবসা-বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে কীভাবে পুনরায় চালু করা যায় সেজন্য নির্দেশনা দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে ডিসিসিআই।

আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও ডিসিসিআই’র মধ্যকার করোনা ভাইরাস উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অর্থনীতির সামগ্রিক বিষয় আলোচনার সময় ডিসিসিআইর সভাপতি শামস মাহমুদ অর্থমন্ত্রীর কাজে এ আহ্বান জানান।

ডিসিসিআই মনে করে সরকার ঘোষিত প্যাকেজের আওতায় কুটির, এমএসএমই খাতের ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ নাও হতে পারে। বেশিরভাগ কুটির, এসএমই, এমএসএমই এবং নগদ লেনদেন নির্ভর ব্যবসাসমূহ ঋণ প্রাপ্তির আবশ্যকীয়তা পূরণের অভাবে অথবা বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহের ন্যয় ব্যাংকের সাথে ততটা ভাল সুসম্পর্ক না থাকার কারনে প্রণোদনার টাকা থেকে ঋণ প্রাপ্তিতে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। যদিও তারা ব্যবসা পরিচালনায় যথেষ্ট কমপ্লায়েন্ট (অনুবর্তী)। আর এ জন্য এমএসএমই’র প্রণোদনার ব্যবসায়ীদের যেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংককের মাধ্যমে দেয়া হয় এ অনুরোধ করে ডিসিসিআই।

ডিসিসিআই পক্ষ থেকে অপ্রচলিত খাতে জন্য জরুরি তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয় অর্থমন্ত্রীর কাছে। বলা হয়, অপ্রচলিত খাত যেমন ভাসমান ব্যবসায়ী, হকার, ভাসমান দোকান, মুদি এবং এক ব্যক্তি নির্ভর একক ব্যবসায়ী যারা আছেন তাদেরকে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় নিয়ে এসে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে স্বল্প সুদে ব্যবসা পুনঃগঠন জরুরি তহবিল প্রদান করা যেতে পারে।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের উপর জোরারোপ করে বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই সকল স্তরের মানুষের কথা বিবেচনায় একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক ও স্বচ্ছ আর্থিক প্রণোদনা প্রদানের লক্ষে নীতিমালা গ্রহণ করেছে। স্বল্প সুদে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে প্রণোদনা প্যাকেজকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সাথে যোগাযোগ রাখছে।

তিনি জানান, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যেই নানা পদক্ষেপ ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, আর এ সকল পদক্ষেপ ও কর্মসূচি অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতার সাথে নেয়া হয়েছে।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর