গার্মেন্টস শ্রমিকদের হেনস্থার ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

গার্মেন্টস শ্রমিকদের হেনস্থার ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

এর আগে গার্মেন্টস খোলা রাখায় যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল সে অবস্থা যেন এবার আর না হয় বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গার্মেন্টস শ্রমিকদের এভাবে ডেকে এনে হেনস্থা করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

আজ (২০ এপ্রিল) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাসমূহের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

গার্মেন্টস খোলার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, গার্মেন্টস কারখানা যদি খুলতে হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনেই খুলতে হবে। আমরা পিপিই ও মাস্ক বানানোর জন্য কিছু কারখানা খোলা রাখতে পারি, তবে তা ডব্লিউএইচও’র নির্দেশনা মোতাবেক। এর আগে গার্মেন্টস খোলা রাখার জন্য, যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল সে অবস্থা যেন না হয়।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস. এম. তরিকুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ‘বিজেএমইএ‘র সভাপতি রুবানা হক ২৫ এপ্রিলের পর চিঠি দিয়ে কিছু কারখানা খোলার কথা জানিয়েছেন এবং শ্রমিক পরিবহনে বাস চেয়েছেন’ জানালে এর প্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় কারখানা খোলা রাখতে হলে কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা গার্মেন্টস মালিকদের করতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

ভিডিও কনফারেন্সে গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার শামছুন্নাহার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের জেলাটা ভালো ছিল অনেক ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। কিন্তু গার্মেন্টস কারখানার সমন্বয়ের অভাবে আমাদের গাজীপুর জেলা আজ করোনা আক্রান্ত। গাজীপুরে লকডাউন কার্যকর করার প্রধান সমস্যা এখন গার্মেন্টস কারখানা। এখানে অনেক মালিক বেতন-ভাতা দেওয়ার কথা বলে দিচ্ছেন না। আবার অনেকেই পিপিই ও মাস্ক বানানোর নামে কারখানা খুলে অন্য কাজ করাচ্ছেন।

পুলিশ সুপারের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব। আমি পরবর্তীতে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বসব।

এর আগে সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাসের ফলে বিশ্বের যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আগে কখনও এমন পরিস্থিতিতে পড়েনি বিশ্ব। একটি পরিস্থিতিতে পড়েছে গোটা বিশ্ব। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা কিছুটা ভালো আছি। সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন, জরুরি অবস্থা জারি করে করোনা মোকাবিলা করার চেষ্টা করছে। আমরাও আক্রান্ত জায়গা লকডাউন করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ আসে, দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। ভেঙে পড়লে হবে না। দুর্যোগ মোকাবিলা করতে আমরা অনেক ব্যবস্থা নিয়েছি, এখন জনগণের কাছে সহযোগিতা চাচ্ছি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশিকা মেনে আপনারা ঘরে থাকুন।

অর্থসূচক/এমআরএম/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ