শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২০
Home App Home Page আবারও কারখানা বন্ধের আহ্বান বিজিএমইএর

আবারও কারখানা বন্ধের আহ্বান বিজিএমইএর

আবারও কারখানা বন্ধের আহ্বান বিজিএমইএর

পোশাক রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচার ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বিজিএমইএ গত ৪ এপ্রিল রাতে দেশের কারখানা মালিকদের শিল্পকারখানা বন্ধের আহ্বান জানালেও গতকাল অনেক গার্মেন্টস চালু থাকতে দেখা যায়। এর প্রেক্ষিতে আবারও গার্মেন্টস শিল্পকারখানা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।

আজ (৬ এপ্রিল) সকালে এনইউপি, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল সচিব, কমোডর আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সদস্যভুক্ত পোশাক কারখানাগুলো আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার বিষয়ে সদস্যদের প্রতি বিজিএমইএ অনুরোধ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বিজিএমইএ সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানকে যত দ্রুত সম্ভব শ্রমিকদেরকে মার্চ মাসের মজুরি প্রদানেরও অনুরোধ জানিয়েছে। এ বিষয়ে সদস্যদেরকে সহায়তার জন্য বিজিএমইএ দপ্তরে ইতিমধ্যে একটি সেল খোলা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ৪ এপ্রিল রাতে এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক গার্মেন্টস শিল্প মালিকদের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধের আহ্বান জানান। পাশাপাশি শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতন দিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। এবং কোন শ্রমিক যাতে চাকরিচ্যুত না হয় সে বিষয়ে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে এক তথ্যমতে গতকালও প্রায় সাড়ে তিনশর বেশি পোশাক কারখানা চালু ছিল বলে জানা যায়। এছাড়া বেশ কিছু পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করার বিষয়টিও ওঠে আসে।

এর আগে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যদি কাজ থাকে তাহলে সব দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়ে পোশাক কারখানা খোলা রাখার জন্য বলা হয়েছিল। সেই ক্ষেত্রে শ্রমিকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়া হয় সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত সকল শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি গার্মেন্ট খোলা রাখতে হয় তাহলে শ্রমিকরা যেন চার ফিট দূরে দূরে বসে কাজ করতে পারে সে ব্যবস্থা রাখতে হবে। আর যাদের সর্দি-কাশি আছে তারা যেন কাজে যোগ না দিয়ে বিশ্রামে থাকে। সবাই যেন স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলে।

অর্থসূচক/এমআরএম/এএই্চআর