প্রণোদনার অর্থ সংগ্রহে দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের তাগিদ সিপিডির
রবিবার, ৩১শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

প্রণোদনার অর্থ সংগ্রহে দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের তাগিদ সিপিডির

করোনা ভাইরাস থেকে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারির প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিরসনে প্রধানমন্ত্রী মোট ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)।

একইসঙ্গে প্রণোদনার অর্থ সংগ্রহ করতে এখনই দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয় সিপিডি।

করোনার কারণে অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে আজ রবিবার নতুন করে ৬৭ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার ৪ টি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরআগে শ্রমিকদের বেতন দেয়ার জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সব মিলিয়ে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

এর প্রতিক্রিয়ায় রবিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, এই প্রণোদনার অর্থ কোথা থেকে আসবে সেই বিষয়ে পর্যাপ্ত ধারণা দেয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কথা বলা হয়েছে, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কথা বলা হয়েছে।

ফাহমিদা খাতুন আরো বলেন, হয়তো সরকার ভাবছে বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছ থেকে তারা অর্থ চাইবেন, কিংবা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অর্থ চাইবেন। সেটা কিন্তু খুব দ্রুত করতে হবে। কেনান প্রায় ২০০ এর অধিক দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দরিদ্র দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ ও রয়েছে। প্রত্যেকেরই কিন্তু সেখানে চাহিদা রয়েছে। আই এম এফ, বিশ্ব ব্যাংক, এডিবি, ইসলামিক ডেভোলপমেন্ট ব্যাংক সবার কাছেই কিন্তু বিভিন্ন দেশ ধর্না দিচ্ছে। খুব দ্রুত আমাদের চাহিদার কথা তাদের বলতে হবে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রায় প্রত্যেকটি খাতই করোনার আঘাতে জর্জরিত। দেশীয় শিল্প থেকে শুরু করে সব ব্যবসা-বাণিজ্য, ও দিনমজুর প্রায় প্রত্যেকেই করোনার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

এই মূহূর্তে তাদের বাচিয়ে রাখার জন্য, তাদের অর্থনীতিকে বাচানোর জন্য এই ধরনের প্রণোদনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রায় সব দেশই প্রণোদনা দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করা যায় এই প্রণোদনার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ খাত গুলো তাদের ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে নিতে পারবেন। তবে প্রণোদনা স্বচ্ছতার ও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার প্রয়োজন। এই অর্থ বরাদ্দের জন্য এটা কিভাবে যাবে, ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, আমরা জানি যে এই অর্থ বছরে সরকার রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে খুবই চাপের মধ্যে রয়েছে। এখন আবার করোনার কারণে এই রাজস্ব আদায়ে সরকার অনেক পিছিয়ে যাবে। আমাদের হিসাব মতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষমাত্রা ১ লাখ কোটি টাকার কম হবে। সেই দিক থেকে এই অর্থটা যেটা দেয়া হয়েছে সেটার উপযুক্ত ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যবহার কমাতে হবে।

সত্যিকারের ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের কাছে যেনো তা যায় এবং যারা একেবারে নিম্ন আয়ের তারাও যেনো অর্থটা পেয়ে খেয়ে পড়ে বেচে থাকতে পারে সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য বলে যোগ করেন ফাহমিদা খাতুন।

অর্থসূচক/এমআরএম/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ