করোনাঃ দেশে নতুন করে ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন
শুক্রবার, ২৯শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

করোনাঃ দেশে নতুন করে ১ জন আক্রান্ত হয়েছেন

দুই দিন পর দেশে আবার নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ জন মানুষ এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এর আগে শনিবার ও রোববার দেশে কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

আইইডিসিআর এর প্রেস ব্রিফিং-ফাইল ফটো

নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জন। এর মধ্যে করোনায় মারা গেছেন ৫ জন। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ জন, যাদের মধ্যে একজন ডাক্তার ও ১ জন নার্স রয়েছেন।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর পরিচালক মিরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা নিয়মিত প্রেসব্রিফিং এ আজ সোমবার (৩০ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, নতুন আক্রান্ত রোগী একজন নারী। তার বয়স ২০ এর কোটায়। গত ২৪ ঘণ্টায় হটলাইনে ফোন এসেছে ৪৭২৪টি। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫৩টি। সর্বমোট ১৩৩৮ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, করোনা আক্রান্ত ৪৯ জনের মধ্যে আরও চার জনের শরীরে সংক্রমণ আর নেই। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৮০ বছর। আরও দুজনের বয়স ৬০ এর বেশি। তার মানে বয়োজ্যেষ্ঠ হলেই ঝুঁকিপূর্ণ এমন নয়। চার জনের মধ্যে দু’জন বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিন জনের বিভিন্ন রোগ ছিল। এই চার জনের মধ্যে একজন চিকিৎস কর্মী ছিলেন। সব মিলিয়ে ১৯ জন করোনামুক্ত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এক জায়গায় ৩৬ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ছিল। তাদের কারো শরীরে করোনা ভাইরাস না পাওয়া যাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে এখনও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩২ জন। আর ৬২ জন আছেন আইসোলেশন। সব মিলিয়ে আইসোলেশনে আছেন ২৬২ জন।

আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, গত দু’দিন দেশে কেউ আক্রান্ত না হওয়ায় অনেকে মনে করেছেন বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত। কিন্তু এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আমাদের প্রতিরোধ চালু রাখতে হবে। সাধারণ জনগণের প্রতি আবেদন আপনারা ঘরে থাকুন, আপনারা বের হবেন না। ঘরে থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। সরকার যেসব নির্দেশনা দিয়েছে সে আপনাদের ভালোর জন্য দিয়েছে। নিতান্ত বাইরে বের হতে হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন।

এর আগে মো. হাবিবুর রহমান বলেন, দেশে ৫৫ হাজার মানুষ এখন কোয়ারেন্টিনে। কোয়ারেন্টিন মুক্ত করা হয়েছে ২৯ হাজার। বাকিরা এখনও আছেন। ঢাকা শহরে ৮টি সরকারি হাসপাতাল করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত।

.

এই বিভাগের আরো সংবাদ