স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দপ্তরে করোনার হানা!
শুক্রবার, ২৯শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » সর্বশেষ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দপ্তরে করোনার হানা!

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের দপ্তরের এক কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।এর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষপর্যায়ের কয়েকজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন পাঁচজন শনাক্ত হওয়ার ঘোষণা দেন। ওই পাঁচজনের একজন ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।

শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আইইডিসিআরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই সঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তাকে কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার কথা বলেন।

অন্যদিকে আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা’র কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা নীতিগতভাবে কোনো ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করি না।

তবে তিনি ওই কর্মকর্তার করোনায় আক্রান্তের খবরটিকে মিথ্যা বলেননি বা অস্বীকারও করেননি।

দেশের অনেক চিকিৎসক কয়েকদিন ধরে আশংকা প্রকাশ করে আসছিলেন যে, ইতোমধ্যে দেশে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন (স্থানীয়দের মধ্যে একজন থেকে অন্যজন সংক্রমিত হওয়া) হয়ে থাকতে পারে। তারা এখনই বিষয়গুলো জোরালোভাবে মনিটর করা এবং টেস্টের পরিমাণ ও সুবিধা বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছিলেন। আইইডিসিআরের একাধিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা বিষয়টি সম্পর্কে তাদের বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন। বারবারই বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো তথ্য-উপাত্ত তাদের কাছে নেই।

তবে গতকাল প্রথমবারের আইইডিসিআরের পরিচালক বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে বলেন,বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে। অর্থাৎ এর আগে শুধু বিদেশফেরত বা বিদেশফেরত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা আক্রান্ত হলেও এখন সমাজে ছোট পরিসরে রোগটি ছড়িয়েছে।

এখন পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪৪। এর মধ্যে ১১ জন সুস্থ হয়ে গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছে আইইডিসিআর। এখন পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩২১টি।পরীক্ষা করা হয়েছে ৯২০ জনের। গত কয়েক দিনে বিদেশ থেকে যে পরিমাণ মানুষ দেশে এসেছেন, সে সংখ্যার আলোকে পরীক্ষার সংখ্যা নিতান্তই কম। তবে সরকার পরীক্ষা সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আইইডিসিআর ছাড়া আরও ১০টি জায়গায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যার মধ্যে চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বিভাগীয় হাসপাতাল থাকবে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতালে ইতোমধ্যে পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ