ArthoSuchak
শুক্রবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পোশাকখাতে ৬ মাসের সুদমুক্ত ঋণসুবিধা চেয়েছে বিজিএমইএ

করোনার আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। সম্পূর্ণ রপ্তানি নির্ভর এই ক্ষেত্রটি করোনার প্রভাবে প্রায় পঙ্গু হওয়ার পথে। বিদেশি ক্রেতাদের যত ক্রয়াদেশ ছিলো তা ইতিমধ্যেই বাতিল কিংবা স্থগিত হয়েছে। এ পর্যায়ে সংকট থেকে উত্তরণে বেশকিছু সুবিধা চেয়েছে গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস বরাবর একটি সুপারিশ মালা প্রেরণ করেছেন। সেই সুপারিশ সমূহে পোশাক কারখানার ছয় মাসের মজুরি ও বোনাস, গ্যাস-বিদ্যুতের বিল ও অন্যান্য সুদমুক্ত ঋণ মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ স্থানীয় মুদ্রায় প্রদান করার সুপারিশ করেছে বিজিএমইএ।

এই ঋণের অর্থ প্রথম ছয় মাসে প্রদান না করে পরবর্তী ৩০ মাসে সমান কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করতে বলেছে বিজিএমইএ। পোশাক কারখানাগুলোকে এই সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রদান করার ব্যবস্থার কথা জানান রুবানা হক।

প্রধানমন্ত্রীর করা প্রণোদনা প্যাকেজের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পিআরসির বিপরীতে সরাসরি ব্যাংক থেকে প্রদান করারও দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ। এর পাশাপাশি, বকেয়া প্রণোদনার অর্থ আগামী মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার দাবি করেছে। এ ছাড়া মেয়াদি ঋণের সুদ আগামী ছয় মাসের জন্য মওকুফ ও ঋণ শ্রেণিবিন্যাসের সময় ১৮০ দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি করার দাবি করেছে রপ্তানি আয়ের শীর্ষ খাতের ব্যবসায়ীদের এই সংগঠন।

সুপারিশমালায় ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র সময়মতো পরিশোধ না করা হলে ফোর্স ঋণ সৃষ্টি না করার দাবি করেছে বিজিএমইএ। এতে বিজিএমইএ আরও দাবি করে, রপ্তানি আয় প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত সব বিধিবিধান ছয় মাসের জন্য স্থগিত করতে হবে। প্যাকিং ক্রেডিট ও রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের ঋণ পরিশোধের মেয়াদ তিন মাস বাড়াতে বলা হয়েছে। বিল অব এন্ট্রি দাখিল ও ইএক্সপি প্রতিবেদনের জন্য অতিরিক্ত ৯০ দিনের সময় চেয়েছে সুপারিশমালায়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো সুপারিশে করোনাসহ নানা কারণে পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে গেছে এমন দাবি করে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোশাক রপ্তানি আয়ের যেটুকু অংশ দেশে আসবে, তার ওপর ডলারপ্রতি ৫ টাকা প্রণোদনা প্রদান করার অনুরোধ করেছে বিজিএমইএ। তাদের দাবি, ডলারপ্রতি ৫ টাকা বাড়তি দিতে হলে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হবে না।

অর্থসূচক/এসএ/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ