ArthoSuchak
বুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

অলি-গলিতে বিক্রি হচ্ছে নিম্নমানের মাস্ক

করোনা আতঙ্কে রাজধানীর ফার্মেসিগুলো যখন মাস্ক শূন্য তখন অলি-গলিতে মিলছে নকল ও নিম্নমানের মাস্ক। সংকট থাকায় বেশি দাম দিয়ে কিনছেন ক্রেতারা। তারপরও সেটা ব্যবহার করতে পারছেন না। এদিকে এই সব মাস্ক ব্যবহারে বড় রকমের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রধান সড়ক ছাড়াও অলি-গলিতে নিম্নমানে মাস্কের পশরা সাজিয়ে বসেছেন হকাররা। মূলত নিম্ন আয়ের মানুষজন এইসব মাস্কের ক্রেতা।

দুপুরে রাজধানীর ১১ নাম্বারের পূরুবী সিনেমা হলের সামনে থেকে ৪০ টাকা দিয়ে নিম্ন মানের মাস্ক কিনেন গার্মেন্টস কর্মী সুমি। কেনার পর তিনি হকারকে জিজ্ঞেস করলেন, এইটা কি করোনা মাস্ক। হকার, হ্যা সূচক উত্তর দিলেন।

হকারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাতলা কাপড়ের কিংবা প্লাস্টিকের মাস্ক গুলো স্থান ভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন তারা। এতে প্রতিদিন খুব ভালো লাভ থাকছে।

রাজধানীর পীরেরবাগ থেকে ৩০ টাকা দিয়ে মাস্ক কেনেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাস্ক কেনার পরে সেটা মুখে দিতে পারছি না। মাস্ক দিয়ে এত পরিমাণ খারাপ গন্ধ বেরোচ্ছে। এত দাম দিয়ে মাস্ক কিনে যদি ব্যবহার না করতে পারি, তাহলে কি করে সচেতন থাকবো।

এ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাসার বলেন, বাজারে মাস্কের সংকট আছে। বাংলাদেশের বাজারে এখন অনেক ধরনের মাস্ক পাওয়া যায়। বিভিন্ন বাড়িতে এখন মাস্ক তৈরি হচ্ছে। যেগুলো বিজ্ঞানভিত্তিক নয়। এগুলোতে হয়তো ডাস্ট প্রটেকশন দিবে কিন্তু ভাইরাস প্রটেকশন দিবে কিনা আমার জানা নাই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের থেকে সুরক্ষা পেতে এন ৯৫ মাস্ক ব্যবহার বেশি কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ এই মাস্কগুলো ভালো ফিট হয় এবং প্রায় ০.৩ মাইক্রোনের ব্যাসযুক্ত ছোট কণাগুলোকে ফিল্টার করে দেয়। এটি বাতাসে উপস্থিত ছোট কণার ৯৫ শতাংশকে অবরুদ্ধ করে।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ