ArthoSuchak
বুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পুলিশের নির্দেশনা মানছেন না বাস মালিকরা

পুলিশের পক্ষ থেকে বাস মালিকদের বলা হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া এবং মাস্ক ছাড়া কোন যাত্রীকে গাড়িতে না উঠতে দেওয়ার জন্য। এছাড়া গাড়ি ছাড়ার আগে সেটি ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্য। তবে এর কোনোটাই মানছেন না বাস মালিকরা। সব নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজেদের ইচ্ছেমতো গাড়ি চালাচ্ছেন তারা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করা নোভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কোন যাত্রীকে যেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া এবং মাস্ক না পরে গাড়িতে উঠবে না দেওয়া হয়। গাড়ি ছাড়ার আগে গাড়িকে ভালোভাবে পরিষ্কার করার জন্যও বলা হয়। কিন্তু গাড়ি কর্তৃপক্ষ এই নিয়ম-নীতির কোনটাই মানছে না।

আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায় যাত্রীর চাপ থাকায় গাড়ি কোন ধরনের পরিষ্কার না করেই ছাড়া হচ্ছে। এছাড়া গাড়িতে প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তারা মাস্ক ব্যবহার এবং স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া, কোন বিষয়ই তারা খেয়াল করছেন না। তবে কিছু যাত্রী নিজেদের নিরাপত্তার জন্যই মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন।

শ্যামলী পরিবহনে বগুড়াগামী রবিউল নামে এক যাত্রী অভিযোগ করেন, আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি। এ ব্যাপারে বাস কর্তৃপক্ষ কোনো নির্দেশনা দেয়নি। তবে তাদের পক্ষ থেকে যে গাড়ি পরিষ্কার রাখার কথা সেটা তারা রাখেনি।

তিনি অভিযোগ করেন, গাড়িতে উঠে দেখি গাড়ি অপরিষ্কার। গাড়ির সিটে ময়লা জমে রয়েছে। স্প্রে দিয়ে গাড়ি যে পরিষ্কার করার কথা ছিল তারা তা করেনি। এদিকে তারা বাসের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।

এদিকে হানিফ পরিবহনের এক কর্মকর্তা জানান, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে গাড়িতে ওঠার জন্য বলছি। তারা যদি হাত না ধুয়ে ওঠে তাহলে আমরা কি করব। এছাড়া গাড়িতে স্প্রে করে যাত্রী তোলা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে পুলিশের মিরপুর জোনের এসআই তরিকুল ইসলাম জানান, আমরা প্রতিটি বাস কাউন্টারে গিয়ে বলে আসছি যে তারা যেন কোন যাত্রীকে মাস্ক ছাড়া গাড়িতে উঠতে না দেয়। গাড়িতে ওঠার আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এছাড়াও গাড়ি ছাড়ার আগে গাড়ি পরিষ্কার করে যাত্রীদের গাড়িতে ওঠায়।

এদিকে বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করা নোভেল করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ জন। করোনা আতঙ্কে কোয়ারেন্টাইনে আছেন হাজার হাজার মানুষ।

করোণা ভাইরাসের আতঙ্কে এবং বিভিন্ন অফিস ছুটি পাওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। তবে যারা সচেতন মানুষ তারা নিজেরা আক্রান্ত কিনা তা জানেন না। তাই তাদেরকে গ্রামের মানুষ যাতে আক্রান্ত না হয় তার জন্য তারা ঢাকাতেই অবস্থান করছেন।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ