ArthoSuchak
শনিবার, ২৮শে মার্চ, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page
নমুনা সংগ্রহ করেছে আইইসিডিআর

ভৈরবে মৃত ব্যক্তির পরিবার কোয়ারিন্টিনে

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইতালি ফেরত আব্দুল খালেক (৬০) ও তার পরিবারে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করেছেন ঢাকা থেকে আসা আইইডিসিআরের একটি প্রতিনিধিদল। তারা আজ দুপুরে ভৈরবের জগন্নাথপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃতের বাড়ি এসে নমুনা সংগ্রহ করে ফিরে যান।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রী খীসা, উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: বুলবুল আহমেদ, ভৈরব থানার ওসি (তদন্ত) মো: বাহালুল খান বাহার উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে ডা: বুলবুল জানান, আইইসিডিআর প্রতিনিধিরা মৃত আব্দুল খালেকসহ তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে সন্তানের প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় চলে গেছেন। আমরা তার স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে হোম কোয়ারেন্টাই করেছি। নমুনা সংগ্রহের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিমাদ্রী খীসা জানান, নমুনা সংগ্রহের পর আমরা আইইডিসিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃতের দেহ প্যাকেটিং করে সীলগালা করি। করে শহরের পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ভৈরব উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিেিরাধ কমিটি সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার রাতে ভৈরব শহরের কমলপুর এলাকার ডক্টরস চেম্বার (সাঈদ-ইউসুফ মেমোরিয়াল হাসপাতাল) নামের একটি বেসরকারী হাসপাতালে আব্দুল খালেক (৬০) নামে এক ইতালি প্রবাসী মারা যান। তিনি শহরের জগন্নাথপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত আলমাছ আলীর ছেলে। আব্দুল খালেক গত ২৮ ফেব্র“য়ারি ইতালি থেকে দেশে ফিরেছিলেন। এরমধ্যে তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির কারো সাথে যোগাযোগ করেননি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আবেদীন জেনারেল (প্রা:) হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মো: শাহজালাল জানান, গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রচন্ড জ্বর, গলা ব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে আব্দুল খালেক নামে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে আসেন। আমরা তখন তাকে সরকারী আইসোলেন সেন্টারে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ছেঁড়ে দিই।

এদিকে ডক্টরস চেম্বারের (সাঈদ-ইউসুফ মেমোরিয়াল হাসপাতাল) ওটি ইনচার্জ মো: সুলেমান জানান, আব্দুল খালেকের স্বজনরা যখন নিয়ে আসেন, তখন তিনি মারা গেছেন। ফলে তাদের হাসপাতালে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি তাকে।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ