ArthoSuchak
সোমবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

করোনা শনাক্তকরণঃ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পদ্ধতি ব্যবহারের অনুমতি

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমন শনাক্ত করার সহজ ও সাশ্রয়ী যে পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, তা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে সরকার। প্রায় এক সপ্তাহ আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে থাকার পর অবশেষে অনুমতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠান।

গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের পদ্ধতিটি দু’ভাবে ব্যবহার করা যাবে। প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন ডায়াগনোসিস সেন্টার ও ল্যাবে নমুনা দিয়ে এই পরীক্ষা  করে করোনাভাইরাসে শনাক্ত হওয়া না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিন মাস পর প্রতিষ্ঠানটি পরীক্ষার কিট উৎপাদন শুরু করবে। তখন ওই কিট ব্যবহার করে ঘরে বসেই যে কেউ করোনা সংক্রমণ সংক্রান্ত পরীক্ষা করতে পারবেন।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১ টার কিছুক্ষণ পর বিষয়টি অর্থসূচককে নিশ্চিত করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, দু’দিন সরকারের অনুমতির অপেক্ষায় ছিলাম। সুখবর পেলাম, অনুমতি পেয়েছি। হাতে সময় থাকলে আমরা কিছু সামগ্রী অর্ডার করতে পারব। যুক্তরাজ্য থেকে কাঁচামাল আনতে সহজ হবে। এটা তৈরি, স্পেশাল প্যাকিং ও কুরিয়ারসহ যাবতীয় প্রসেসিংয়ের জন্য ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগবে। তারপর তা নিয়ে আমরা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় কাজ করে দশ দিনের মধ্যে নমুনা কিট তৈরি করতে পারব। আর ১ মাসের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার কিট বাজারে সরবরাহ করতে পারব। প্রথম মাসে ১০ হাজার, পরের মাস থেকে ১ লাখ কিট সরবরাহ করতে পারব। যা বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত হবে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই কিট বাজারজাত করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা করলে খরচ পড়বে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। সরকার যদি এর ওপর ট্যাক্স-ভ্যাট আরোপ না করে তাহলে আমরা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বাজারজাত করতে পারবো। সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের মর্জির ওপরে। ডেঙ্গু টেস্টের যেমন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল, করোনা টেস্টেরও যদি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে জনগণ স্বল্প মূল্যে সেবা পাবে। মূল্য নির্ধারণ না করে দিলে যে যার মতো টাকা নিবে।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের নিজেদের প্রয়োজনে দ্রুত করোনা ভাইরাসের কিট তৈরি করেছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় রোগ শনাক্তের জন্য বাংলাদেশে আবিষ্কৃত রোগ নির্ণয় প্রক্রিয়ার জন্য নতুন পথ তৈরি করে দেওয়াটা খুব জরুরি বলে মনে করে গণস্বাস্থ্য।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭। এই ভাইরাসে আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অর্থসূচক/এনএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ