ArthoSuchak
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

মুজিব বর্ষ উদযাপনে ব্যাংক পাড়ায় নানা আয়োজন

নানা আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে ব্যাংকগুলো। এর অংশ হিসেবে একাধিক কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন গভর্নর ফজলে কবির। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর আয়োজন করা হয় বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা সভার। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জানও উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ত্রিশ তলা ভবনের নিচে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জীবনের বিভিন্ন সময়ের ৫৫টি ছবি টানানো হয়েছে। শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয় রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত অন্যান্য ব্যাংকগুলোও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আগের রাত থেকেই লাল সবুজ আলোতে আলোকিত অধিকাংশ ব্যাংকের ভবনগুলো। এছাড়াও মিলাদ মাহফিল, মুজিব কর্নার উদ্বোধন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন, ফুলের শুভেচ্ছা, মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সহায়তা, স্কুল মেরামত এবং গরীব দুঃখীদের মধ্যে খাবার বিতরণের আয়োজন করেছে অনেক ব্যাংক।

আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রাষ্ট্রায়ত্ব রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন এমপি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এদিকে জনতা, সোনালী ও অগ্রণী ব্যাংকও নিয়েছে নানা প্রস্তুতি। ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর বিশাল আকারের ছবি দিয়ে গেট সাজানো হয়েছে। সাউন্ডবক্স ও মাইকে বাজছে ৭ মার্চের ভাষণ। জনতা ব্যাংকের সামনে রাস্তার মাঝখানে (আইল্যান্ডে) লাগানো হয়েছে শেখ মুজিবর রহমানের বড় পোস্টার।

উল্লেখ, ১৭ মার্চ বড় পরিসরে অনুষ্ঠানটি করার কথা থাকলেও করোনা ভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় এখন ছোট পরিসরে অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হচ্ছে। রাত ৮টায় বঙ্গবন্ধুর জন্মসময় অনুযায়ী আঁতশবাজির আয়োজন থাকবে। তবে কর্মসূচিগুলোতে জনসমাগম এড়িয়ে চলা হবে।

২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় মুজিব বর্ষ উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সরকার মুজিব বর্ষ উদযাপন করবে। দেশের ভেতর ছাড়াও বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হবে জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিব বর্ষের আনন্দ আয়োজন।

করাচির কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডন থেকে দিল্লি হয়ে দেশে ফিরেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন বিকেলে তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ থেকে বঙ্গবন্ধু নামার পর পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এক উৎসবমুখর পরিবেশে লাখো মানুষ বরণ করে নিয়েছিলের তাদের প্রিয় নেতাকে। ঐতিহাসিক সেই দিনকে বেছে নেওয়া হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকারের জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা হিসেবে। বছরব্যাপী দিনটি দেশে-বিদেশে উদযাপন করা হবে।

অর্থসূচক/জেডএ/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ