ArthoSuchak
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

রপ্তানিতে করোনার প্রভাব, আয় কমেছে ৪.৭৯ শতাংশ

সারা পৃথিবীতে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)। ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সবশেষ রপ্তানি আয়ে বাংলাদেশেও এর থাবা পরিলক্ষিত হয়েছে।

exportচলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রথম আট মাসে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২ হাজার ৬৪১ কোটি ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রপ্তানি আয়ের এ হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ২ হাজার ১৮৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ কম। পোশাক রপ্তানি কমলেও পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেড়েছে। আট মাসে ৬৯ কোটি ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।

আলোচ্য সময়ে ৬৩ কোটি ১৮ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ শতাংশ কম। অন্যদিকে ৫২ কোটি ডলারের হোম টেক্সটাইল রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ কম। হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৭ কোটি ডলারের। এ ক্ষেত্রে রপ্তানি কমে গেছে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

গত অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। চলতি অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার। তবে প্রথম আট মাস শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি পিছিয়ে আছে ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ