'বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালনে মানুষ উদগ্রীব হয়ে আছে'
রবিবার, ৩১শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালনে মানুষ উদগ্রীব হয়ে আছে’

আগামী ১৭ মার্চ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড স্কয়ারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। সারা দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালনের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।

আজ বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মুজিববর্ষ উপলক্ষে গঠিত নিরাপত্তাবিষয়ক উপ-কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসা উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রতিবাদ সমাবেশ করছে। মুজিববর্ষ শুরুর অনুষ্ঠানের দিন কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলে সরকার কী করবে-এই প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদকের যে বক্তব্য, একই বক্তব্য আমারও। সারা দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালনের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। কাজেই ওই দিন কেউ এ ধরনের পদক্ষেপ নেবে বলে মনে হয় না। আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ। আমরা সেভাবেই চলবো। মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের যে সাপোর্ট দিয়েছে সেটা আমাদের মনে আছে।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে কিংবা মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে নাশকতার কোনও আশঙ্কা নেই। গোয়েন্দাদের কাছ থেকেও আমরা এমন কোনও তথ্য পাইনি।

আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, মুজিববর্ষের সার্বিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে যে কোনও ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকারীদের নজরদারি করা হবে।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক অতিথির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা আসবেন। তাদের ও কূটনীতিকদের আসন বিন্যাস ও বিভিন্ন ইভেন্টের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও সারাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনুষ্ঠান হবে। সেগুলোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা স্থানীয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে ও ইভেন্টে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিম সব সময় প্রস্তুত থাকবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ধারাবাহিকভাবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। সেখানেও থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শুধু রাজধানীতে নয়, সারা দেশব্যাপী অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, বিভাগ-জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

ঢাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সকাল ১১টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে বলে জানান মন্ত্রী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের নির্বিঘ্নে উদ্বোধন স্থলে আগমন ও প্রস্থানের নির্ধারিত রাস্তাসমূহ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানান তিনি।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ