অমিত শাহের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ভারতের পার্লামেন্ট
বুধবার, ৩রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

অমিত শাহের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ভারতের পার্লামেন্ট

দিল্লির সহিংসতা নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল ভারতের পার্লামেন্টের ভেতরে-বাইরে। বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে রাজ্যসভা মুলতবি করা হয়েছে। লোকসভার অধিবেশনও মুলতবি হয়েছে দফায় দফায়।

এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, দিল্লির সহিংসতা নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দুই কক্ষেই সোচ্চার ছিল কংগ্রেস, তৃণমূল, আপ, বিএসপিসহ অধিকাংশ বিরোধী দল।

তুমুল প্রতিবাদের মুখে পড়ে আপাতত ‘পরে আলোচনার’ কৌশল নিয়েছে শাসক দল। বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলের মুখে রাজ্যসভা মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে। লোকসভার অধিবেশনও মুলতবি হয়েছে দফায় দফায়।

আনন্দবাজার জানাচ্ছে, লোকসভার বাইরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে চোখে কালো কাপড় বেঁধে ‘গান্ধীর তিন বাঁদর’-এর অনুকরণে প্রতিবাদে শামিল হন তৃণমূল ও কংগ্রেস সাংসদরা।

সোমবার থেকে সংসদে শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব। দিল্লির সহিংসতা নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়ে এ দিন সংসদের উভয় কক্ষেই আলোচনার প্রস্তাব দেয় বিরোধীরা। কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা গোলাম নবি আজাদ প্রশ্ন তোলেন, দিল্লিতে যখন সংঘর্ষ ছড়াচ্ছে, সরকার কি তখন ‘ঘুমোচ্ছিল’।

দিল্লির সহিংসতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তোলে কংগ্রেস।

এ দিন রাজ্যসভার চেয়েও বেশি বিশৃঙ্খলা হয়েছে লোকসভায়। অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করে তুমুল হট্টগোল শুরু করেন বিরোধীরা। কিন্তু রাজ্যসভার মতোই লোকসভাতেও স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়ে দেন, এটা আলোচনার উপযুক্ত সময় নয়।

তিনি বলেন, অবস্থার উন্নতির জন্য আমরা অপেক্ষা করব। তার পর আলোচনার অনুমোদন দেব। এরপর কংগ্রেসসহ তৃণমূল, আপ, এসপি, বিএসপি, ডিএমকেসহ প্রায় সব বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের হট্টগোলে দফায় দফায় মুলতবি হয়ে যায় অধিবেশন।

কংগ্রেস এমপি শশী থারুর, রাহুল গান্ধী ও অধীর চৌধুরীকে দেখা গিয়েছে প্রতিবাদস্থলে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে। সেই প্ল্যাকার্ডে দাবি উঠেছিল, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু দুজনেরই বক্তব্য এক। দুজনেই বিরোধী সদস্যদের বলেন, দিল্লির দাঙ্গা খুবই উদ্বেগের। অবশ্যই এ নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। কিন্তু এখন সবার উচিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা। এই অবস্থা দাঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য উপযুক্ত নয়। বিরোধীরা এই যুক্তি মানেননি।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ