উন্নত হচ্ছে ঝিনাইদহ-মাগুরা সড়ক
বুধবার, ৩রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

উন্নত হচ্ছে ঝিনাইদহ-মাগুরা সড়ক

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সঙ্গে মাগুরা-ফরিদপুর জেলার উন্নত ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ তৈরি করতে ২৬৭ কোটি ৫৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) সভায় অনুমোদন হতে যাচ্ছে। এ প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে শেখপাড়া-শৈলকুপা-লাঙ্গলবাঁধ সড়ক এবং শ্রীপুর-লাঙ্গলবাঁধ-ওয়াপদা মোড় সড়ক দুটি প্রশস্ত ও মজবুত করা।

শেখপাড়া (ঝিনাইদহ)-শৈলকুপা-লাঙ্গলবাঁধ (শ্রীপুর)-ওয়াপদা মোড় (মাগুরা) জেলা মহাসড়ক ‘প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ’ শিরোনামে প্রকল্পটি এখন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।এই প্রকল্পে খরচ হবে ২৬৭ কোটি ৫৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এই প্রকল্প সম্পের্ক সওজ বলছে, শেখপাড়া-শৈলকুপা-লাঙ্গলবাঁধ সড়কটির দৈর্ঘ্য ২৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার। সড়কটি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা থেকে লাঙ্গলবাঁধ নামক নদীবন্দরে যুক্ত হয়েছে। এ সড়ক পথে শৈলকুপার জনসাধারণ মাগুরা, ফরিদপুর, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ করে থাকে। অন্যদিকে শ্রীপুর-লাঙ্গলবাঁধ-ওয়াপদামোড় সড়কটির দৈর্ঘ্য ৩৬ দশমিক ৬১ কিলোমিটার। এছাড়া সড়কটি শ্রীপুর থেকে লাঙ্গলবাঁধ দিয়ে ঢাকা-ফরিদপুর-মাগুরা-ঝিনাইদহ-যশোর-খুলনা জাতীয় মহাসড়কের সাথে ওয়াপদা মোড় নামক স্থানে যুক্ত হয়েছে।

কুষ্টিয়া, মাগুরা সদর এবং শ্রীপুরের জনগণ সড়ক যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবে এ সড়ক ব্যবহার করে আসছে। সড়ক দুটির উভয় পাশে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, গ্রোথ সেন্টার ইত্যাদি স্থাপনা অবস্থিত। বর্তমানে সড়ক দুটির এনুয়াল এভারেজ ডেইলি ট্রাফিক ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। সড়ক দুটি অত্যন্ত সরু, যা মাত্রা ১২ ফুট প্রশস্ত ও কাঠামোগতভাবে দুর্বল হওয়ায় যানবাহন চলাচলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এ অবস্থায় সড়ক দুটি প্রশস্ত করা ও মজবুত করার জন্য এ প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, এ প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ, সড়ক বাঁধে মাটির কাজ, নতুন সড়ক নির্মাণ, সড়ক পুননির্মাণ, বিদ্যমান সড়ক প্রশস্তকরণ, বিদ্যমান সড়ক মজবুত করা, সার্ফেসিং করা, একটি ব্রিজ নির্মাণ, আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ ১০টি, কনক্রিট ইউড্রেন নির্মাণ, আরসিসি প্লেট প্যালাসাইডিং, রোড মার্কিং, জেনারেল এন্ড সাইট ফ্যাসিলিটিস, নির্মাণকালীন রক্ষণাবেক্ষণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, সাইন, সিগন্যাল, কিলোমিটার পোস্ট ইত্যাদি করা হবে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশ হলো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শৈলকুপার সাথে মাগুরা ও ফরিদপুর জেলার উন্নত ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনসহ এলাকার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

অর্থসূচক/এমআরএম/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ