ArthoSuchak
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

মার্চেই মেট্রোরেলের মকট্রেন উদ্বোধন, বগি আসছে জুনে

রাজধানীবাসীর যানজটের ভোগান্তি কমাতে সড়কের ওপর দিয়ে মেট্রোরেল নির্মাণ করছে সরকার। মেট্রোরেল চালু হলে ওপর দিয়ে ট্রেনে যাত্রী পরিবহন হবে এবং নিচের রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি কমবে, বাঁচবে সময়।

সব ধরনের প্রতিকূলতা জয় করে প্রতিনিয়তই এগিয়ে যাচ্ছে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বর্ষ ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। আর স্বপ্ন নয়! ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে অনেক আশার মেট্রোরেল। এদিকে মেট্রোরেল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ধারণা দিতে আনা হচ্ছে মেট্রোরেলের মকট্রেন।

রাজধানীর উত্তরায় দিয়াবাড়িতে নির্মিত হচ্ছে মেট্রোরেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার।এখানে মেট্রোরেলের সকল ইতিহাস তুলে ধরা হবে। এখানেই ঠাঁই পাবে মকট্রেন। সাধারণ মানুষকে ধারণা দিতেই এই মকট্রেন। ট্রেনের মধ্যে কি কি করা যাবে, রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন কেমন হবে- এই বিষয়ে ধারণা দিতেই মকট্রেন আনা হয়েছে বলে জানায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

এ সম্পর্কে ডিএমটিসিএল জানায়, মার্চ মাসের শেষের দিকে প্রদর্শনী সেন্টার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মকট্রেন ছাড়াও এই সেন্টারে থাকবে একটা লাইভ টয় ট্রেন। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষেরা মেট্রোরেল সমন্ধে একটা ধারণা পাবেন। ফলে যখন মেট্রোরেল চালু হবে তখন ঢাকাবাসী সহজেই এটা ব্যবহার করতে পারবে। প্রদর্শনী সেন্টারে প্রবেশে কোনো টিকিট নেয়া হবে না।

আজ সোমবার উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেলের ডিপোতে কনটেইনার থেকে বের করে মেট্রোরেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে।

জানা যায়, উত্তরা তৃতীয় ফেজ ডিপোর গেটের পাশে উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে এতে মেট্রোরেলের নির্মাণশৈলীর ইতিহাস তুলে ধরা হবে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এটি পরিদর্শনে আসবে। এর পাশেই আরও একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় নিহত জাপানিদের স্মৃতি তুলে ধরা হবে। প্রদর্শনী সেন্টারটি হবে মূলত তাদের স্মৃতি তুলে ধরার জন্যই। এর নকশা করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। নকশার কাজ শেষ হলেই তাদের কাছে জমি হস্তান্তর করা হবে। মেট্রোরেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের মাধ্যমে মেট্রোরেলের সকল ইতিহাস ও নির্মাণশৈলীর তথ্য জানতে পারবেন দর্শকেরা। মকট্রেন যাত্রী পরিবহণের জন্য নয়, শুধুই প্রদর্শনীর জন্য। মকট্রেনের পাশাপাশি নিহত জাপানিদের স্মৃতি তুলে ধরতে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যাত্রীবাহী মেট্রোরেলের মূল কোচগুলো আগামী ১৫ জুন বাংলাদেশে এসে পৌঁছবে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা) মো. আবু নাসের বলেন, মকট্রেন দিয়াবাড়িতে রাখা হয়েছে। এটা মূলত প্রদর্শনীর জন্য। মূল ট্রেন এখনো আসেনি। মার্চে মকট্রেন প্রদর্শন করা হবে।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ