‘দারিদ্র কমাতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিচ্ছি’
রবিবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘দারিদ্র কমাতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিচ্ছি’

দেশে ভোগ বৈষম্য কমলেও আয় বৈষম্য বাড়ছে। তাই আগামী অষ্টম পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে কিভাবে আয় বৈষম্য কমিয়ে আনা যায় সেই বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) ড. শামসুল আলম।

তিনি বলেন, আগামী অষ্টম পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনায় (২০২১-২০২৫) আয় বৈষম্য কমিয়ে আনা, আঞ্চলিক বৈষম্য বন্ধ করা, কর্মসংস্থান তৈরি করা, দারিদ্র্য দ্রুত কমিয়ে আনা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গুরুত্ব দেয়া হবে।

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অষ্টম পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

জিইডি সচিব বলেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা, যথেষ্ট কর্মসংস্থান তৈরি করা এবং দারিদ্র্য দ্রুত কমে আসে যেন এ বিষয়গুলোকে আমরা অবশ্যই প্রাধান্যে রাখব। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য কমিয়ে আনা এবং সংযুক্তমূলক উন্নয়ন অর্থাৎ, উন্নয়নের সুফল যেন সকলের নিকট পৌঁছায় সেটাও উল্লেখ থাকবে। দরিদ্র যারা আছেন, মানে অরক্ষিত জনগণ, তারা যেন সুফল ভোগ করতে পারেন, দ্রুত দারিদ্র্য যেন কমে আসে; এ বিষয়গুলো আমরা অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিচ্ছি।

অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ কী জানতে চাইলে শামসুল আলম বলেন, অর্থনীতিবিদরা আমাদের মতামত, চিন্তা দিয়ে সহযোগিতা করবেন। আজকের বৈঠকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় যেন যথেষ্ট সংযুক্তিমূলক অভিব্যক্তিকে যুক্ত করি, আয় বৈষম্য কমিয়ে আনি, কর্মসংস্থানের জন্য যেন ব্যাপকভাবে গুরুত্ব দিই- এই বিষয়গুলো তারা বলতে চেয়েছেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের যে বিরূপ প্রভাব, তা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসতে পারি বা মোকাবেলা করতে পারি কিংবা জনসহিষ্ণুতা গড়ে তোলা যায়, সেই বিষয়গুলো জোর দেবার জন্য তারা বলেছেন।

জিইডি সচিব বলেন, অষ্টম পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনা হবে রূপকল্প ২০৪১ অর্জনের প্রথম পরিকল্পনা। যার মাধ্যমে আমাদের শুরু হবে উন্নত দেশে পৌঁছানোর যাত্রা।

শামসুল আলম বলেন, দেশে ভোগ বৈষম্য বাড়েনি, আয়-বৈষম্য কিছুটা বেড়েছে। আয়-বৈষম্য নিরূপণটা কিছুটা বিষয়গত, বস্তুনিষ্ঠ নয়। আর ভোগ-বৈষম্য যেটা, সেটা বাড়েনি। আহার, খাদ্যের যে ব্যয়, সেদিক থেকে ধনী-দারিদ্র্যের ব্যবধান অতটা বাড়েনি গত ১০ থেকে ১১ বছরে।

আয় দিয়ে বৈষম্যের পরিমাণ অনেক দেশেই করে না। এমনকি ভারতও করে না। ভোগ-বৈষম্য দেখাই সত্যিকারের প্রতিফলন ঘটায়। তবুও যাতে আয়-বৈষম্য না ঘটে, আঞ্চলিক বৈষম্য যাতে সৃষ্টি না হয়, সেদিকে আমরা যথেষ্ট সতর্ক থাকব আগামী অষ্টম পঞ্চ-বার্ষিকী পরিকল্পনায়, উল্লেখ করেন শামসুল আলম।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ