ট্রাইব্যুনাল নয়, মাদক মামলার বিচার হবে বিশেষ আদালতে
বুধবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ট্রাইব্যুনাল নয়, মাদক মামলার বিচার হবে বিশেষ আদালতে

অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে এবং নতুনভাবে সৃষ্ট মাদকের আগ্রাসন রোধে ট্রাইব্যুনালের পরিবর্তে বিশেষ আদালত গঠন করে মাদক ব্যবসায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে।

ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২০’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করতেও নতুনভাবে সৃষ্ট মাদকের আগ্রাসন রোধ কল্পে ২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদে পাস হয়। পরে একই বছরের ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সদয় সম্মতি লাভ করে।

তিনি বলেন, আইনে বলা হয়েছে- সরকার সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করবে এবং প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালে অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে বিচারক নিয়োগ করবে। তবে কোনো জেলায় অতিরিক্ত জেলা জজ না থাকলে ওই জেলায় দায়রা জজ নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে ট্রাইব্যুনালে স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনালের মামলা নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
প্রশাসনিক কারণে অদ্যবধি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপন বা জেলা বা দায়রা জজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এই ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব।

তিনি বলেন, এর ফলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অসংখ্য মাদক অপরাধ সংক্রান্ত মামলা হলেও তা বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হয়। ফলে মামলার সংখ্যা বাড়ছে। প্রকৃত আসামিকে সাজা দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হচ্ছে না।

আইনের ৫৫টি ধারার মধ্যে ২২টি ধারায় সংশোধন আনা হচ্ছে জানিয়ে মুজিবুর রহমান বলেন, সংশোধন করা হলে এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধগুলো অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন হবে। সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ তাদের এখতিয়ার সম্পন্ন এলাকার জন্য কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচারের জন্য এক বা একাধিক আদালত নির্দিষ্ট করতে পারবেন। ফলে মাদক অপরাধের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। এখন বিশেষ আদালত গঠিত হবে। এতে বিচারপ্রাপ্তি আরও সহজ করতে।

তিনি বলেন, দুই বছরের সাজা হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন। যেখানে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট আছে সেখানে দায়রা জজ বিচার করবেন।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ