পুঁজিবাজারে সরকারি ৩ ব্যাংক আনতে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
সোমবার, ১লা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পুঁজিবাজারে সরকারি ৩ ব্যাংক আনতে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী

পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে লাভজনক সরকারি সাত কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্তের পর এবার নতুন করে তিন ব্যাংককে বাজারে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করতে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি ধারাবাহিক পতনের মুখে পড়ে পুঁজিবাজার। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং দীর্ঘমেয়াদে আস্থা ফেরাতে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয় সরকার। এরই অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় মালিকানার তিন ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিন বাণিজ্যিক ব্যাংক হলো- সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক। পাশাপাশি বাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের শেয়ার আরও ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত আজকের বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন, অর্থ সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

বৈঠকে সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের শেয়ার কীভাবে আনা যায় এবং কত অংশ ছাড়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে অংশীজনসহ বিশেষজ্ঞদের মতামতও নেয়া হবে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের শেয়ার আরও ছাড়া যায় কি-না, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা বিশ্লেষণ হচ্ছে। ব্যাংকগুলোর আর্থিক বিবরণীসহ সাম্প্রতিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত হবে।

এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে লাভজন সাতটি প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। ওইদিন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দরকার। এখানে যারা আছে তারা বিক্ষিপ্তভাবে আছে। লাভজনক সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পুঁজিবাজারে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই সাত প্রতিষ্ঠানকে শিগগিরই বাজারে আনা হবে। তাদের দুই মাস সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ে তারা তাদের সম্পদের পরিমাণ যাচাই করে জানাবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার চাঙ্গা করতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল), পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি, ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইজিসিবি), আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড, বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড (বিআরপিএল) এবং গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডকে (জিটিসিএল) বাজারে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ