কমছেই না ফুলকপি-বাঁধাকপি ও লাউয়ের দাম
রবিবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

কমছেই না ফুলকপি-বাঁধাকপি ও লাউয়ের দাম

লাউকে শীতের একটি অন্যতম সবজি হিসেবে ধরা হয়। যদিও আমাদের দেশে সারা বছরই কমবেশি লাউ পাওয়া যায়। শীতের এই শেষ সময়ে এখনো কমেনি লাউয়ের দাম। একটি মাঝারি সাইজের দেশি লাউ কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। তবে দু-একটি সবজি ছাড়া অন্যান্য সবজিগুলোর দাম কিছুটা কমই রয়েছে।

আজ রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, মোহাম্মদপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে খুব একটা তারতম্য নেই সবজির বাজারে। তবে একটু বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে করলা ও লাউ।

মিরপুর-২ নাম্বার বাজারে বেসরকারি চাকরিজীবী আবুল হাশেম লাউয়ের দাম জানতে চাইলে দোকানদার সাফ জানিয়ে দিলেন ৮০ টাকার নিচে হবে না। তখন হাশেম বললেন, তোমার দাম ৮০ টাকা ঠিক আছে কিন্তু ৭০ টাকায় রাখা যাবে কি? দোকানদারের না বোধক উক্তিতে একটু কম এর আশায় অন্য দিকে ছুটলেন তিনি।

তবে বাজারে হাইব্রিড জাতের লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে শীতের সবজি বাজারে ভরপুর থাকলেও এ বছর আর কমলো না ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম। প্রতি বছর এ সময়ে ফুলকপি ১০ থেকে ১৫ টাকায় পাওয়া যায়। এবছর সেখানে ৩০ টাকার নিচে নামেনি শীতের এই প্রধান দুই সবজির দাম। সাইজ ও মান ভেদে ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা। মুলা ২০ থেকে ২৫ টাকা। টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা। আর করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি।

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। আর ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। এদিকে মিশরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। তবে কিছুটা বেড়েছে আমদানি করা চায়না রসুনের দাম। গত সপ্তাহে দেখানোর রসুনের দাম ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। তবে আগের মতই ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আদা।

বাজারে আসা সোলায়মান বলেন, এ বছর ফুলকপি আর বাঁধাকপির দাম কমল না। প্রতি বছর এই সময় ১৫ টাকায় পাওয়া যায়। এখন তা ৩০ টাকার ওপরে। এদিকে যে লাউয়ের দাম এই সময়ে ২০ থেকে ৩০ টাকায় পাওয়া যায় তা এখন ৮০ টাকা।

মিরপুর-১ নাম্বার পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ২০ পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকায়, ২০ পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০, শিম প্রতি পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। গাজর বিক্রি হচ্ছে প্রতি পাল্লা ৯০ টাকা। শসা পাল্লা ১২০-১৪০, শালগম ৮০, আলু ৯০-১০০, এবং প্রতি ২০ পিস পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে প্রতি পাল্লা ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

ডিমের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৫০ টাকায়। আর দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। মাংসের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০ থেকে ৪৫০ টাকায়। পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। এছাড়া গরুর মাংস ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ