সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন বিএনপির হারুন
বুধবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন বিএনপির হারুন

প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ বলেন, মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী এবং পরপর তিনবার প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব লাভের পর নিঃসন্দেহে দেশ অনেক ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করেছে, কোনো সন্দেহ নেই। বৃহৎতম অবকাঠামোর দৃশ্যমান কিছু উন্নয়ন হচ্ছে। ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক অগ্রগতি হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

আজ (২৯ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপির এই সংসদ সদস্য।

প্রশ্ন করার সময় তিনি তার জন্য নির্ধারিত যুবসমাজ সম্পর্কিত সম্পূরক প্রশ্ন না করে তার নির্বাচনী এলাকার সরকারি হাসপাতালের দুরবস্থার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার জেলা সদর হাসপাতালটি ২০০৩ সালে…। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে সম্পৃরক প্রশ্ন করতে বললে প্রথমেই বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করব। এ সময় সংসদ কক্ষে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

সংসদ সদস্য হারুন আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরপর তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভের পর নিঃসন্দেহে দেশ অনেক এগিয়ে গেছে। বৃহত্তর অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে- এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রিতার জন্য আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। এ কারণে বিশেষ করে তরুণ সমাজ আমার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে যে, সারা বাংলাদেশের সত্যিকারের কী অবস্থা! মন্ত্রী-এমপি আমরা প্রটোকল নিয়ে চলাচল করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রটোকল ছাড়া একটি টিম নিয়ে ঢাকা শহরে একদিন চলাফেরা করেননি। কী অবস্থায় আমরা আছি! কী অবস্থা চলছে! যুব সমাজের প্রতিক্রিয়া কী, যুব সমাজের বর্তমান ভাবনা টা কী একটু দেখুন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একটা কথা আছে-ধান ভানতে শিবের গীত। মাননীয় সংসদ সদস্য সেই ধান ভানতে শিবের গীত গাইছেন। যে ধরনের সম্পূরক প্রশ্ন করার কথা, সেই যুবসমাজ থেকে তিনি স্বাস্থে চলে গেছেন। তবে স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। উনি একটা প্রশ্ন করতে চেয়েছিলেন কিন্তু করতে পারেননি। তার প্রশ্ন থেকে আমি যা বুঝে নিয়েছি, তা হলো উনার এলাকার হাসপাতালে জনবলের অভাব। এই সমস্যাটা সব জায়গায় হচ্ছে। তবে সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আছেন। তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

সংসদ নেতা আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ আমি প্রটোকল নিয়ে চলি। সিকিউরিটি ব্যবস্থা আছে। সমস্যা আছে এটাও যেমন ঠিক, আবার একেবারে এটাও ঠিক নয় যে, দেশের অবস্থা আমি জানি না। কারণ আমি সব দিকে নজর রাখার চেষ্টা করি। তিনি (হারুন) বলছেন, আমি যেন ভালোভাবে লক্ষ্য রাখি, যখন দেখেন বেশি কাজ করি, তখন আবার প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রীকেই কেন সব কাজ করতে হবে, কেন দেখতে হবে এমন প্রশ্নও শুনি। তবে আমি মনে করি হ্যাঁ, যেহেতু আমি দেশের দায়িত্ব নিয়েছি সবদিকেই নজর দেয়া আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। বাংলাদেশের যুব সমাজের জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গিবাদ-এসব দূর করে তারা যাতে সুস্থ জীবনে ফিরে আসে, সে ব্যাপারে আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছি।

অর্থসূচক/এএইচআর

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ