আমান ফিডের পরিচালকদের ১ কোটি টাকা জরিমানা
বৃহস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page
আইপিও'র টাকায় জালিয়াতি

আমান ফিডের পরিচালকদের ১ কোটি টাকা জরিমানা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি আমান ফিড লিমিটেডের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা তুলে সঠিকভাবে ব্যবহার করেনি। নির্ধারিত খাতে টাকা ব্যয় না করে বিএসইসির কাছে মিথ্যা প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। এই অপরাধে কোম্পানির প্রত্যেক পরিচালককে ২৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে বিএসইসি।

আলোচিত ব্যক্তিরা হচ্ছেন আমান ফিড লিমিটেডের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম, পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম এবং তরিকুল ইসলাম। তাদেরকে মোট এক কোটি টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।


অর্থসূচকে প্রকাশিত পুঁজিবাজার ও ব্যাংক-বিমার খবর গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো এখন নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ Sharebazaar-News & Analysis এ। প্রিয় পাঠক, গ্রুপটিতে যোগ দিয়ে সহজেই থাকতে পারেন আপডেট।


কোম্পানিতে মো. আজিজুল হক নামে একজন মনোনীত পরিচালক থাকলেও তাকে অবশ্য জরিমানা করা হয়নি। তিনি পর্ষদে আমান ফিডের উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন আমান এগ্রো নামের অন্য একটি কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করছেন।

আমান ফিডের চার পরিচালক-রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, তৌফিকুল ইসলাম ও তরিকুল ইসলাম

আজ ২৮ জানুয়ারি, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিএসইসির কমিশন বৈঠকে এই জরিমানা করা হয়।

বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

আমান ফিড লিমিটেড ২০১৫ সালে আইপিও ইস্যু করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭২ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। কোম্পানিটি আইপিওতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ২৬ টাকা করে প্রিমিয়াম নিয়ে ৩৬ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করে।


প্রিয় পাঠক, সঞ্চয়, বিনিয়োগ,পুঁজিবাজার, ব্যাংকিং, বীমা, আয়কর, কেনাকাটা ইত্যাদি বিষয়ে আপনাদের জন্য নিয়মিত বিশেষায়িত তথ্য ও টিপস পরিবেশন করছে অর্থসূচক পরিবারের নতুন সংযোজন আমারটাকাডটনেট www.amartaka.netসহজে এসব তথ্য পেতে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন আমাদের ফ্যানপেজে www.facebook/amartaka.net


বিধি অনুসারে, আইপিওর টাকা কোথায় বিনিয়োগ করা হবে তা প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করতে হয়। কোনো কারণে ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় পরিবর্তন এলে বা অন্য কোনো খাতে বিনিয়োগ করতে চাইলে সাধারণ সভা ডেকে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি ও বিএসইসির অনুমতি নিতে হয়। এছাড়া আইপিওর অর্থ ব্যবহারের হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে নিয়মিতভাবে বিএসইসিতে প্রতিবেদন পাঠাতে হয়। ওই প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্টের মাধ্যমে সত্যায়ান করতে হয়। আমান ফিড কর্তৃপক্ষ অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার না করে বিএসইসিকে মিথ্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে।


আমান ফিডের অনিয়ম নিয়ে আরও একটি প্রতিবেদন-

পঁচা শামুকে পা কেটেছে একনাবিন


আইপিও’র অর্থ ব্যবহারে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় বিএসইসি আমান ফিডের সব পরিচালককে (স্বতন্ত্র ও মনোনীত ব্যাতিত) ২৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করে।

এছাড়া আইপিওর অর্থ ব্যবহার সংক্রান্ত মিথ্যা প্রতিবেদনের সঙ্গে যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়ায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি প্রতিষ্ঠান একনাবিন এর পার্টনার রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে বিএসইসি। আর খোদ প্রতিষ্ঠানটির (একনাবিন) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ পাঠানো হচ্ছে আইসিএবি’তে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ