১২ কিস্তিতে ৫৭৫ কোটি টাকা দিতে চায় জিপি
রবিবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

১২ কিস্তিতে ৫৭৫ কোটি টাকা দিতে চায় জিপি

অবশেষে টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার দাবির বিপরীতে ফাঁকি দেওয়া করের অংশবিশেষ পরিশোধে সম্মত হয়েছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন (জিপি)। বিটিআরসির দাবিকৃত সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার কর পাওনার বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি ৫৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করার সম্মতি চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছে।

grameenphone- GP

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত টেলিকম খাতের কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের লোগো।

রোববার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেলিকম খাতের এই কোম্পানিটি আপিল বিভাগে আবেদন করে। এর আগে গত বছরের ২৪ নভেম্বর আপিল বিভাগ কোম্পানিটিকে তিন মাসের মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করে আইনী প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিটি এই নির্দেশে এতদিন কোনো সাড়া দেয়নি।পরিস্থিতি জটিলতর হওয়ার আশংকা দেখা দিলে গত ১৬ জানুয়ারি কোম্পানির নব নিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাত করে ২ হাজার কোটি টাকা কিস্তিতে পরিশোধের আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বিটিআরসির চেয়ারম্যান তার ওই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি। তিনি কিস্তির বিষয়ে আদালতের অনুমতি গ্রহণের পরামর্শ দেন গ্রামীণফোনের সিইওকে।বিটিআরসির চেয়ারম্যান নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।


প্রিয় পাঠক, সঞ্চয়, বিনিয়োগ,পুঁজিবাজার, ব্যাংকিং, বীমা, আয়কর, কেনাকাটা ইত্যাদি বিষয়ে আপনাদের জন্য নিয়মিত বিশেষায়িত তথ্য ও টিপস পরিবেশন করছে অর্থসূচক পরিবারের নতুন সংযোজন আমারটাকাডটনেট www.amartaka.net। সহজে এসব তথ্য পেতে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন আমাদের ফ্যানপেজে www.facebook/amartaka.net


বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন,আদালত গ্রামীণফোনকে ২ হাজার কোটি টাকা এককালীন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।ওই নির্দেশ বহাল থাকা অবস্থায় কিস্তিতে টাকা জমা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।তাই গ্রামীণফোনের সিইওকে হয় একবারে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে বলেন।আর কিস্তিতে পরিশোধ করতে চাইলে আদালতের সম্মতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।


অর্থসূচকে প্রকাশিত পুঁজিবাজার ও ব্যাংক-বিমার খবর গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো এখন নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ Sharebazaar-News & Analysis এ। প্রিয় পাঠক, গ্রুপটিতে যোগ দিয়ে সহজেই থাকতে পারেন আপডেট।


তবে একইসঙ্গে তিনি গ্রামীণফোনের টাকা প্রদানের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।এ বিষয়ে তিনি বলেন,তারা (গ্রামীণ কর্তৃপক্ষ)টাকা জমা না দেওয়া পর্যন্ত আমি বিশ্বাস করি না। এই সন্দেহের পেছনে যুক্তি হিসেবে তিনি বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও গ্রামীণফোন তা রক্ষা করেনি বলে অভিযোগ করেন। শেষ পর্যন্ত তার সন্দেহই সত্য প্রমাণিত হয়েছে। বিটিআরসি’র চেয়ারম্যানের কাছে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের আগ্রহ প্রকাশ করেও শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে সরে এসেছে গ্রামীণফোন। কোম্পানিটি আপিল বিভাগের আগের দেওয়া নির্দেশনাটি পর্যালোচনার আবেদন জানিয়েছে। একইসঙ্গে তারা ১২ কিস্তিতে ৫৭৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার অনুমতি চেয়েছে।

পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিটিআরসি ও গ্রামীণফোনের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ