করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক কতোটা সহায়ক?
সোমবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক কতোটা সহায়ক?

২০১৯ সালের শেষ দিকে ‘করোনা ভাইরাস’ নামে নতুন এক ভাইরাস শনাক্ত করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে। দেশটির কেন্দ্রীয় হুবেই প্রদেশের উহান রাজ্যে ‘জন্ম’ নেওয়া এ ভাইরাসটি ২০২০ সালের শুরুতে এখন বিশ্বের জন্য নতুন ‘হুমকি’ হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ এরইমধ্যে চীনের বাইরে ভাইরাসটি আরো অন্তত ১২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আর চীনে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত রয়েছেন আরো এক হাজার ৩০০ জনের বেশি।

এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসের কোন প্রতিষেধক তৈরি হয়নি। ফলে এ থেকে পরিত্রাণে ‘প্রতিরোধ’ হিসেবে মাস্কে নাক-মুখ ঢেকে চলছেন চীনারা। প্রশ্ন হলো এভাবে মাস্ক ব্যবহার করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব কিনা?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটির ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার সহায়ক হতে পারে, যদি সঠিক আবহাওয়া ও সঠিক উপায়ে এটি ব্যবহার করা হয়।

এখনই মাস্ক ব্যবহারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি জানিয়ে জনগণকে সচেতন থাকতে বলেছে মার্কিন জনস্বাস্থ্য বিভাগ। তবে চীনের জন্য বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। ফলে দেশটিতে বেড়েছে মাস্কের চাহিদা। যার ফলে এর যোগান দিতে উৎপাদন বাড়িয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

জর্জিয়ার আটলান্টার ইমোরি ইউনির্ভাসিটি স্কুল অব মেডিসিনের সহকারী প্রভাষক মেরিবেথ সেক্সটন জানান, সর্বাধিক পরিহিত, সস্তা এবং ডিসপোজেবল মাস্ক, যা সার্জিক্যাল মাস্ক হিসেবে পরিচিত, এটি করোনা ভাইরাসকে আটকাতে পারে, তবে নির্মূল করতে পারে না। এমনকি নিখুঁতভাবে ব্যবহারের পরও, এই মুখোশগুলো থেকে কোনো ভাইরাস বা রোগ সংক্রামক জীবাণু পাশ দিয়ে পিছলে যেতে পারে বা চোখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

এ ধরনের সার্জিক্যাল মাস্ক সাধারণত হলুদ বা নিল রংয়ের হয়ে থাকে। যা রাবারের মাধ্যমে শক্তভাবে কানের মধ্যে আটকানো যায়। এর মাধ্যমে মুখ, চিবুক ও নাক ঢাকা সম্ভব হয়। আর এসব মাস্কের ওপরে একটি লোহার স্ট্রিপ থাকে, যা সহজে মুখ-নাক ঢেকে রাখে।

তবে ব্যবহারের পাশাপাশি এ ধরনের মাস্ক সঠিকভাবে খোলার বিষয়েও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খোলার সময় খেয়াল রাখা উচিত যেন এতে কোনো ময়লা না লাগে এবং একবারে খোলা যায়।

করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার প্রধান লক্ষণগুলো হলো- শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি। এটি শরীরের এক বা একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিষ্ক্রিয় করে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ