বিএনপির বিজয়ের কোনও ইতিহাস নেই: ওবায়দুল কাদের
বৃহস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বিএনপির বিজয়ের কোনও ইতিহাস নেই: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপির বিজয়ের কোনও ইতিহাস নেই। বিএনপি একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল। যেকোনও নির্বাচনের আগেই তারা হেরে যায়। আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে না। এটা তারা নিশ্চিত জেনেই কখনও ইভিএম, কখনও নির্বাচনের শুদ্ধতা নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ তারা তুলছে।’

আজ (২৪ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় সম্মেলনের পর আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ ও জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় এসেছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সোনার মানুষ তৈরির কারখানা হিসেবে আওয়ামী লীগকে সময় ও যুগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন মডেলে আমরা ঢেলে সাজাব। সাংগঠনিক কাঠামোকেও শুদ্ধ করব, সুশৃঙ্খল করব। সারা বাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত এই লক্ষ্য ছড়িয়ে দেওয়ার শপথ ও অঙ্গীকার নিতেই আমরা আজ এখানে এসেছি।

তিনি বলেছেন, আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ট্র্যাডিশনের সঙ্গে টেকনোলজি, আইডিয়ালিজমের সঙ্গে রিয়েলিজমের সুন্দর সমন্বয় করে সোনার বাংলা বিনির্মাণের চূড়ান্ত লক্ষ্য অভিমুখে আমরা উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যেতে চাই। বিএনপির মন মানসিকতা, কথাবার্তায় পরাজয়ের সুর রয়েছে। ক্ষুধা-দারিদ্র্য মুক্ত দেশ গড়তে আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটি কাজ করবেন।

টানা ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। তৃতীয় মেয়াদের সরকার এক বছর পার করেছে। এ অবস্থায় সোনার বাংলা বিনির্মাণে কোনো ধরনের বাধা রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সোনার বাংলা বিনির্মাণ একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য। আমাদের টার্গেট আছে, ভিশন আছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যে ভিশন-২০২১, ভিশন-২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান রয়েছে, আমরা এই তিনটি সামনে রেখে আমাদের এজেন্ডা ঠিক করেছি। সময়ের চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাধা ও চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। সময়ের পরিবর্তনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসবে। নতুন নতুন বাধাও আসতে পারে। চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে। আর তার জন্য সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। সাংগঠনিক শক্তি ও আদর্শের পতাকা হাতে আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। জুমার নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের পর সংক্ষিপ্ত আকারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় রাজনৈতিক, সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করব। যেহেতু সভা সংক্ষিপ্ত হবে, তাই সুদীর্ঘ আলাপের সুযোগ নেই।

অর্থসূচক/এএইচআর

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ