ক্যাসিনোকাণ্ড: মেয়র খোকনের এপিএস ও হুইপের পিএকে জিজ্ঞাসাবাদ
মঙ্গলবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ক্যাসিনোকাণ্ড: মেয়র খোকনের এপিএস ও হুইপের পিএকে জিজ্ঞাসাবাদ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্যাসিনোকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) শেখ কুদ্দুসকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিএ) এজাজ চৌধুরীকেও একই অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল।

এর আগে ১৪ জানুয়ারি তাদের কাছে আলাদাভাবে তলবি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বলা হয়, ঠিকাদার জি কে শামীমসহ অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের শত শত কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্যাসিনো ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় অর্জন করে বিদেশে পাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের জন্য বক্তব্য রেকর্ড করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।

দুদক সূত্র জানায়, সরকার দলীয় হুইপ ও চট্টগ্রাম–১২ আসনের সাংসদ সামশুল হক চৌধুরীর পিএ নূর উর রশীদ চৌধুরী ওরফে এজাজ চৌধুরী পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও। তার বিরুদ্ধে অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা আর তদবির বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ আছে। তিনি চট্টগ্রামের ক্লাবগুলোতে চলা জুয়ার আসর থেকে প্রতিদিন বড় অঙ্কের অর্থ পেতেন বলেও অভিযোগ আছে দুদকের হাতে।

দুদক সূত্র জানায়, এজাজের অবৈধ সম্পদের খোঁজ করতে গিয়ে তার বাবা আব্দুল মালেক, বড় ভাই সুলতান উর রশীদ চৌধুরী এবং স্ত্রী সুরাইয়া আক্তারের সম্পদেরও খোঁজ নিচ্ছে সংস্থাটি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়ে তাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে দুদক। এ ছাড়া ভূমি অফিস, সাবরেজিস্ট্রি অফিসসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়ে তার সম্পদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ