খুলনাকে ফাইনালে নিলেন আমির
মঙ্গলবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

খুলনাকে ফাইনালে নিলেন আমির

মোহাম্মদ আমিরের আগুনে বোলিংয়ে এক কথায় রাজশাহী রয়্যালকে উড়িয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে খুলনা টাইগার্স। তারা ২৭ রানের ব্যবধানে জয় পেয়েছে।

আমির ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন। যা বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। এর আগে এই রেকর্ডটি দখলে ছিল আরেক পাকিস্তানি মোহাম্মদ সামির। তিনি ৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। এবার এই স্বদেশীকে পেছনে ফেললেন আমির।

এই ম্যাচে হারলেও ফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি রাজশাহীর। তারা দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মোকাবেলা করবে তারা। সেই ম্যাচে যারা জিতবে তারাই ফাইনালে খুলনার প্রতিপক্ষ হবে।

খুলনার দেয়া মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী। ওপেনার লিটন দাস মাত্র ২ রান করে মোহাম্মদ আমিরের বলে বোল্ড হন। এরপর ১১ রান করা আফিফ হোসেন এবং অলক কাপালিকে (০) দুই বলের ব্যবধানে ফিরিয়েছেন আমির।

রবি বোপারাও ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি। তিনি ১ রান করে রবি ফ্রাইলিঙ্কের শিকার হয়েছেন। আন্দ্রে রাসেলকে কোনো রান যোগ করার আগেই ফিরিয়েছেন আমির। ব্যর্থ হয়েছেন ফরহাদ রেজাও। তিনি ফিরেছেন ৩ রান করে শহিদুল ইসলামের শিকার হয়ে।

মাত্র ৩৩ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর তাইজুল ইসলামকে নিয়ে রাজশাহীর হাল ধরেন শোয়েব মালিক। ১২ রান করা তাইজুলকে ফিরিয়ে ৭৪ রানের জুটি ভাঙার সাথে নিজের ৫ উইকেটের কোটা পূরণ করেন আমির। এরপর মালিককে ব্যক্তিগত ৮০ রানে রহমতউল্লাহ গুরবাজের ক্যাচ বানান এই পাকিস্তানি পেসার। শেষ দুই ব্যাটসম্যান আবু জায়েদ (৭) এবং মোহাম্মদ ইরফানকে (০) ফিরিয়ে খুলনাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন কামরুল ইসলাম রাব্বি।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি খুলনার। তৃতীয় ওভারের শুরুতেই তারা হারায় ওপেনার মেহেদী হাসান মিরাজের উইকেট। তিনি ৮ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন অলক কাপালির হাতে।

এরপর পঞ্চম বলে রানের খাতা খোলার আগেই রাইলি রুশোকে ফিরিয়েছেন ইরফান। মিরাজ এবং রুশো ফিরে যাওয়ার পর শামসুর রহমান শুভকে নিয়ে ইনিংস মেরামত শুরু করেন শান্ত। দুজনেই হাত খুলে খেলে খুলনার রানের চাকা সচল রেখেছেন।

শামসুর ৩২ রান করে রবি বোপারার বলে আন্দ্রে রাসেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। শান্ত অবশ্য একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। এরপর অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে আরেকটি জুটি গড়েন শান্ত। মূলত এই দুজনের জুটিতেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় খুলনা। মুশফিক শেষ দিকে ২১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছেন। এরপর নাজিবউল্লাহ জাদরান এবং (১২) এবং শান্ত (৭৮) খুলনার বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ