ArthoSuchak
রবিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

চট্টগ্রাম-৮ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিএনপি প্রার্থীর

কেন্দ্র দখল, ভোটদানে বাধা ও হামলার অভিযোগ এনে নির্বাচন স্থগিত করে চট্টগ্রাম-৮ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী আবু সুফিয়ান।

আজ (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে নগর বিএনপির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

আবু সুফিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, নৌকার সমর্থকরা আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ভোট কারচুপি করছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের কর্মী সমর্থকদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের ৫০ নেতাকর্মী আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক নেতাকর্মীরা ১৭০টির মধ্যে ১২০টি কেন্দ্র সম্পূর্ণ দখল করে আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। একই সঙ্গে অনেক ভোটারের আঙুলের ছাপ নেওয়ার পর ভোট প্রয়োগ করতে দেওয়া হয়নি। আমরা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করে আসছি। কিন্তু তারা এ বিষয়ে তেমন কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। তাই আমরা নির্বাচন স্থগিত করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আমরা এখনো নির্বাচন বর্জন করিনি। আমরা এখনো আছি। আমরা আরেকটু বিচার-বিবেচনা করব, কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলব, কিছুক্ষণ পরে জানাব। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আমরা নির্বাচন স্থগিতের দাবি জানিয়েছি। আরেকটু পরে এলাকার যাঁরা দায়িত্বশীল আছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে (বর্জনের ব্যাপারে) জানাব।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে এই আসনের উপনির্বাচনে সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট শেষ হওয়ার কথা বিকেল ৫টায়। ভোট শুরুর মাঝপথে এসে গণমাধ্যমের কাছে নির্বাচনের অনিয়মের কথা তুলে ধরেন আবু সুফিয়ান। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ দেন বিএনপির এ প্রার্থী।

জাসদ নেতা মইনউদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির মো. আবু সুফিয়ান, বিএনএফ থেকে এস এম আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী ঐক্যফ্রন্টের সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন, ন্যাপের বাপন দাশগুপ্ত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. এমদাদুল হক।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার চার লাখ ৭৪ হাজার ৪৮৫ জন। নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটেনি। মোতায়েন করা হয়েছে পাঁচ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ছয় প্লাটুন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ ছাড়া ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিজিবির সঙ্গে মোবাইল টিমে রয়েছেন।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ