কঠোর আন্দোলনে যাবে সাংবাদিকরা: রুহুল আমীন গাজী
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » রাজনীতি

কঠোর আন্দোলনে যাবে সাংবাদিকরা: রুহুল আমীন গাজী

রুহুল আমিন গাজীদৈনিক সংগ্রামের অফিসকে লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে আগামী ২১ ডিসেম্বর শনিবার সাংবাদিক ইউনিয়নের অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভা থেকে সাংবাদিকরা কঠিন আন্দোলনে যাবে বলে সরকারকে হুশিঁয়ারী করেছেন বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে দৈনিক সংগ্রাম-এ উপর্যুরী গুলি ও বোমা হামলার প্রতিবাদে বিএফইউজে ও ডিইউজে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা জানান।

রুহুল আমিন গাজী বলেন, যারা দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় হামলা চালিয়েছে তাদের তালিকা তৈরি করে তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন থামানো যাবে না। বরং সাংবাদিকদের এ আন্দোলন কঠোর থেকে কঠোরতর হবে। গণমাধ্যম বন্ধ করে কখনও মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া যায় না।

পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খানও হাসিনা সরকারের মতো এতো নৃশংস ছিল না মন্তব্য করে তিনি বলেন, হাসিনা সরকার ইতিহাসের সকল কুখ্যাত সরকার প্রধানদের হার মানিয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা ব্যক্তি হাসিনা সরকারের মতো গণমাধ্যমের উপর এত জগন্য আঘাত হানে নি।

প্রধানমন্ত্রী তার পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যে ক্ষমতায় এসেছেন উল্লেখ করে গাজী বলেন, আর এই  প্রতিশোধ নিতে গিয়ে তিনি পিলখানায় বিডিআর হত্যা, শাপলা চত্বরে হেফাজতের উপর বর্বর হামলা চালিয়েছেন। এখনও লক্ষ্মীপুর, সিলেট, লালমণিরহাট, বাগেরহাটে পুলিশ দিয়ে পাখির মতো মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে এ প্রতিশোধ নিচ্ছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সরকারের আদেশে নিজেদের ভাইকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এ সাংবাদিক নেতা বলেন, আপনারা সরকারের আদেশে নিরীহ লোকদের ওপর গুলি চালাবেন না। এরা আপনাদের নিজেদের ভাই। সরকারের অন্যায় আদেশ পালন করবেন না। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আর যদি অন্যায়ভাবে স্বৈরাচারি সরকারের আদেশে গুলি করে মানুষ হত্যা করেন তাহলে মনে রাখবেন, একদিন এ গুলির হিসেব জনগণকে দিতে হবে। কারণ জনগণের টাকা দিয়েই আপনাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, হাসিনা নিজেকে আল্লাহর চেয়েও বেশি ক্ষমতাবান মনে করেন । তাই তার (হাসিনা) বিরুদ্ধে কথা বললে ৭ বছরের জেল হয়, আর যারা আল্লাহর বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরকে জামাই আদরে বিরিয়ানি খাওয়ায়।

এখন আর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নয় সরকার এখন গণপ্রজাতন্ত্রী ঢাকায় পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে গাজী বলেন, সারা বাংলাদেশ ঢাকা থেকে বিচ্ছিন্ন। তাই এই সরকারে ক্ষমতা ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএফইউজের মহাসচিব শওকত মাহমুদ, ডিইউজের সভাপতি আব্দুল হাই সিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম প্রধান প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ