যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হচ্ছেন শাকিব খান
বুধবার, ২৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হচ্ছেন শাকিব খান

দেশের তারকাদের বিদেশে স্থায়ী হওয়া নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু শাকিব খানের মতো ঢালিউডের শীর্ষ মহাতারকা যদি আমেরিকার গ্রিন কার্ড নিয়ে দেশ ছাড়েন, তবে সেটা বাংলাদেশের বিনোদন জগতের ওপর অনেক বড় ধাক্কার সামিল হবে। বিভিন্ন সূত্রের খবর, শাকিব খান সত্যিই আমেরিকার গ্রিন কার্ড পেয়ে গেছেন।

মিডিয়া পাড়ায় গুঞ্জন, গেল বেশ কয়েক বছর ধরে আমেরিকার গ্রিন কার্ডের জন্য চেষ্টা করছেন শাকিব খান। সবশেষ একটি দক্ষ এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করেছেন অভিনয়শিল্পী হিসেবে ইবি ক্যাটাগরিতে। তার সেই আবেদন গেল ডিসেম্বরে গৃহীতও হয়েছে। শাকিব খানের হয়ে এই পুরো প্রক্রিয়ার দেখাশোনা করছেন আমেরিকা প্রবাসী একজন নেপালি।

এদিকে আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার কথা ভাবছেন শাকিব এ খবর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে বেশ ধাক্কা দিয়েছে। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন জনপ্রিয় এ নায়ক? তবে কী তিনি নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে অনিরাপত্তায় ভুগছেন?

দীর্ঘদিন ধরে একক রাজত্ব কায়েম করে ঢালিউড মাতিয়ে চলছেন তিনি। বছরে তার ছবিই কিছুটা ব্যবসা করতে পারছে এ মন্দার বাজারে। তবে বছর বছর কমছে হল, বাড়ছে সিনেমা নিয়ে অস্থিরতা। সেই সব বিষয় হয়তো হতাশ করছে শাকিবকে। বয়সও বাড়ছে, শারীরিকভাবেও প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তিনি। ক্যারিয়ারেরও ভাটার সময় শুরু হয়েছে। একটা সময় তো থামতে হবেই। সেই সব দিক বিবেচনা করে নিজের জনপ্রিয় ইমেজটা ধরে রেখে আড়ালে চলে যেতে চান তিনি। স্থায়ী হতে চাইছেন বিদেশে।

অনেকে আবার দাবি করছেন আমেরিকায় শুটিং করার যে জটিলতা তা কাটাতেই দেশটির স্থায়ী নাগরিকত্ব চাইছেন তিনি। এর আগে বেশ কয়েকবার শুটিংয়ের জন্য আবেদন করেও ভিসা পাননি। হয়তে সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকবেন তিনি।

খবর আছে, শাকিব খান ছাড়াও মিশা সওদাগর, পূর্ণিমা, অমিত হাসান, আনিসুর রহমান মিলনসহ আরও অনেক তারকাই আমেরিকায় ইবি ভিসার জন্য আবেদন করেছেন।

এর আগে টনি ডায়েস, প্রিয়া ডায়েস, রিচি সোলায়মান, সোনিয়া, মোনালিসা, দিলরুবা রুহি, তমালিকা কর্মকার, শ্রাবন্তী, শামীম শাহেদসহ আরও অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হয়েছেন।

আমেরিকান ভিসার ইবি ক্যাটাগরি হলো- যারা মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবী, শিল্পী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, গবেষক ইত্যাদি যে কোনো যোগ্যতা রাখেন, তারা এই বিশেষ যোগ্যতায় আমেরিকার গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যাদের কাজের স্বীকৃতি আছে, তাদের জন্য এটা পাওয়া আরও সুবিধাজনক। এর মাধ্যমে আমেরিকার মেধাসম্পদ বৃদ্ধি পায়।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ