নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয় এমন কিছু করবো না: তোফায়েল
বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয় এমন কিছু করবো না: তোফায়েল

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা ভোট চাওয়া ছাড়া সব করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রধান সমন্বয়ক তোফায়েল আহমেদ।

তিনি এটাও বলেন, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয় আমরা এমন কিছু করবো না। আমরা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই।

আজ শনিবার (১১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে বৈঠকে বসে তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল। বৈঠক শেষে তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে এ ব্যাপারে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। যেহেতু আমরা ক্ষমতাসীন দল। এমন কোনো কাজ করব না যাতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আচরণবিধির ২২ নম্বরে বলা আছে সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা নির্বাচনী প্রচারণা ও সরকারি সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। এখানে এমপিদের ব্যাপারে যেটি বলা আছে, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অর্থ্যাৎ প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যদের কথা।

‘এই বিষয়টি আমরা তুলে ধরেছি এবং তারা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন তা হলো সুবিধাভোগী এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির যে বিষয়টি, সেখানে জাতীয় সংসদ সদস্যরা কিন্তু সুবিধাভোগী না। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির যে বিষয়টি আমাদের শেখ সেলিম, হানিফ তারা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। আবার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর তারা সবাই কিন্তু মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তারাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারা (ইসি) স্বীকার করেছেন যে সংজ্ঞার মধ্যে স্ববিরোধিতা রয়েছে, কিন্তু আমাদের কিছুই করার নেই। এখন যদি কিছু করি সরকারের জন্য মানুষের চোখে ভালো হবে না, আমাদের (ইসি) চোখেও এটি ভালো হবে না।’

তোফায়েল আহমেদ বলেন, সুবিধাভোগী হলো অফিস অব প্রফিট যেটা আমরা এমপিরা পাই না, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, হুইপ ও স্পিকাররা পান। আমরা তাদের বলব না এটা পরিবর্তন করতে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সাহেব সেদিন যে কথা বলেছিলেন আজকেও বলেছেন, আমি আমার অফিস বা ঘরে বসেও নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা বলতে পারব না। উনি ছাড়া সবাই একমত হয়েছে এটা বাস্তবসম্মত নয়। আমরা ঘরোয়াভাবে অফিসে বসে বা মহল্লায় গিয়ে কোনো বাসায় বসে মিটিং করতে পারবো, এগুলোতে কোন বাধা নেই। তাদের অনুরোধ আমরা যারা এমপি তারা যেনো ভোট না চাই।

প্রসঙ্গত, আসন্ন ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ