এশিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে বাংলাদেশের: ফোর্বস
মঙ্গলবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

এশিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে বাংলাদেশের: ফোর্বস

২০২০ সালে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগ, তৈরি পোশাক শিল্প, স্বল্প মজুরির শ্রমিক ও অন্যান্য শিল্পকারখানার কারণে চলতি বছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের হার ৮ শতাংশ হবে। শ্রমিক খরচ কম হওয়ায় টেক্সটাইল খাত, তৈরি পোশাক ও অন্যান্য শিল্পে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ দিন দিন বাড়ছে। খবর দ্যা এশিয়ান এজের

ম্যাককিনসে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট বলছে, ২০০০ সালে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ আসত এশিয়া থেকে। এখন ২০৪০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক জিডিপির ৫০ শতাংশের বেশি আসবে এই মহাদেশ থেকে।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উন্নত জীবনমানের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার বাড়ছে বলে মনে করেন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস মারকিটের প্রধান অর্থনীতিবিদ রাজীব বিশ্বাস।

তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের সূত্রে ফোর্বস জানিয়েছে যে সহজে ব্যবসার সূচকে উন্নতি হওয়ার কারণে ২০১৯ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

এশিয়া মহাদেশে প্রবৃদ্ধির হারে দ্বিতীয় স্থানে ভারত থাকবে বলে জানিয়েছে ফোর্বস। আলোচ্য বছরে ভারতের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ, যদিও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। দেশটির সরকার উৎপাদন খাতে বিশেষ করে ইলেকট্রনিক পণ্যের নতুন শক্তি হতে চায়। এই মুহূর্তে ভারতের মূল আটটি শিল্পে শ্লথগতি চলছে, অনেক শিল্পে পুঁজি ও ঋণের সংকট আছে, এসব কারণে দেশটির প্রবৃদ্ধির হার এর চেয়ে বেশি হবে না। তবে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতিতে বেশ কিছু প্রণোদনা দেওয়াসহ করপোরেট করহারে ছাড় দিয়েছে, এতে দেশটির শিল্প খাত কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে বলে মনে করছে ফোর্বস।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের মোট দেশজ উৎপাদনের আকার মাত্র ৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। ফলে খুবই নিম্ন ভিত্তি থেকে শুরু করেছে তারা। পাঁচ বছর ধরে দেশটির উৎপাদন খাত বড় হচ্ছে। এতে দেশটির অর্থনীতি দ্রুতলয়ে বাড়ছে। ২০২০ সালে তাদের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াতে পারে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, যা এশিয়ায় চতুর্থ।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ