বিদেশগামী নারী কর্মীদের ৫০ শতাংশ বিধবা-তালাকপ্রাপ্ত
মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বিদেশগামী নারী কর্মীদের ৫০ শতাংশ বিধবা-তালাকপ্রাপ্ত

চলতি বছরের বাংলাদেশ থেকে সাড়ে সাত লাখের বেশি কর্মী বিদেশ পাঠাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ।

তিনি বলেন, আমরা যে বিভিন্ন নতুন নতুন শ্রমবাজার খুলেছি। আরও পাইপ লাইনে আছে। এবছর আমি আশা করছি, ৬/৭ আরও নতুন দেশে কর্মী পাঠাতে পারবো। বিশেষ করে পূর্ব ইউরোপ থেকে চাহিদা আসছে। এজন্য কিছু দেশে ডিপ্লোমেটিক রিপ্রজেনটিভ দেওয়া চেষ্টা করছি।

আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘রিপোর্টার্স ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টস (আরবিএম) আয়োজিত নতুন বছরে সরকারের শ্রম বাজারের পরিকল্পনা’ নিয়ে মিট দ্য প্রেসে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা বলেন, বিদেশগামী নারী কর্মীদের সামাজিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত বা স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক নেই। তাই নারী কর্মীদের অভিবাসনে অধিকতর সুরক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইমরান বলেন, আমাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আমার শ্রমিক ভাইয়েরা নির্ধারিত মূল্যে কীভাবে যেতে পারে। এটা হলো আমার প্রাইম টার্গেট। এই জায়গা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমি কিন্তু মার্কেট খুলতে রাজি না। এটা না হলে কিন্তু সব দায় আমার ওপর আসবে, আমার সরকারের ওপর আসবে। শ্রমিকদের ওপর যে অতিরিক্ত টাকার চাপ ফেলা হয়, এটা যদি আমি গ্রহণ করি তাহলে কিন্তু তাদের সঙ্গে বেইমানি করা হবে।

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা চলছে জানিয়ে ইমরান আহমদ বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এ নিয়ে কাজ করছে। আগের মতো ৪ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ করে কর্মী সে দেশে যাবে আর জঙ্গলে লুকিয়ে বেড়াবে। ওই ধরনের কোনো চুক্তি করা হবে না। সরকার নির্ধারিত মূল্যেই কর্মীরা বিদেশ যাবে।

নারীকর্মীদের নির্যাতনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, নারী শ্রমিকদের নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত মাসে কিন্তু অভিযোগ কমে এসেছে। নারীরাও আগের মতো ফিরছে না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত বছর ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। আগের বছরের তুলনায় এটি ১৬ দশমিক দুই শতাংশ বেশি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শামসুল আলম, রিপোর্টার্স ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টস (আরবিএম) এর সভাপতি ফিরোজ মান্না, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক প্রমুখ।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ