বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা
বুধবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস ও সালাহউদ্দিন প্রদেশের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে একযোগে ৫টি রকেট হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জন আহত বলে জানা গেছে।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইরাকের সামরিক বাহিনী। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়।

খবরে বলা হয়, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে দুটি রকেট ছোড়া হয়েছে। এছাড়া বাগদাদের উত্তরে সালাহউদ্দীন প্রদেশে মার্কিন সেনাদের বালাদ বিমানঘাঁটিতে তিনটি রকেট ছোড়া হয়েছে। একযোগে এসব রকেট ছোড়া হয়। হামলায় কেউ নিহত হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রকেট হামলা চালিয়ে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের অভিজাত কুদস্ ফোর্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়। নিহত সোলাইমানি কুদ্‌স ফোর্সের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রধান ছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ‘চরম প্রতিশোধ’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

এরপর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শঙ্কা দেখা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধের। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরাক ত্যাগ করতে সতর্কতা জারি করেছে। যদিও সোলাইমানিকে হত্যার ২৪ ঘণ্টা পর ইরাকে আরও একটি বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরাকের সামরিক সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে ইরাকি মিলিশিয়ার গাড়িবহরে নতুন হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন।

এদিকে গত রোববার ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় মিলিশিয়া গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহর (হিজবুল্লাহ ব্রিগেড) অন্তত ২৫ সদস্য নিহত হন। আহত হন ৫৫ জন। কাতাইব হিজবুল্লাহ ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে ও সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে অবস্থানরত ইরান সমর্থিত বাহিনী। ওই হামলার ঘটনার জেরে ক্ষোভ জানাতে বিক্ষোভকারীরা গত মঙ্গলবার ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের বাইরের দিকের দেয়াল ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভে হাজার হাজার শোকাহত মানুষের সঙ্গে কাতাইব হিজবুল্লাহ মিলিশিয়ার নেতা আবু মাহদি আল-মুহানদিসসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মিলিশিয়া নেতা যোগ দেন। এ ঘটনায় ইরানকে দায়ী করে নববর্ষের প্রাক্কালে এক টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দেন, যেকোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানকে ‘বড় ধরনের মূল্য’ দিতে হবে।

অর্থসূচক/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ