ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানকে যৌথভাবে কাজ করার পরামর্শ
সোমবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানকে যৌথভাবে কাজ করার পরামর্শ

ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করলে গ্রাহক সেবার মান বাড়বে। গ্রাহকরা নতুন নতুন সেবা উপভোগ করতে পারবে। একই সঙ্গে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। তাই এই দুই প্রতিষ্ঠানকে যৌথভাবে কাজ করার ওপর জোরারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ সোমবার রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘ফিনটেক অ্যান্ড রেগটেক: পসিবল ইমপ্যাক্ট অন ব্যাংকিং সিস্টেম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক  গোলটেবিল বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।  গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে ফিনটেক এবং রেগটেক বিষয়ে সচেতনতা জরুরী। কেননা ব্যাংকিং খাতে পরিবর্তিত প্রযুক্তির বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে সচেতনতা থাকলে ব্যাংক  বা আর্থিক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব।

এবিষয়ে বিআইবিএম-এর নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস.এম. মনিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সার্বক্ষণিকভাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম মনিটরিং করছে। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে গাইডলাইনও দিচ্ছে।  সাম্প্রতিক সময়ে বিট কয়েনের ব্যবহার বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে সচেতনতাও বাড়ানো হয়েছে। ই-ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও জোরদারভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিআইবিএম-এর চেয়ার প্রফেসর  এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, আইটি খাতে ব্যয় করলে এখান থেকে আয়ের পাশপাশি চলমান খরচ আরও বেশি সাশ্রয় করা সম্ভব। এ কথা ব্যংক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বোঝাতে হবে।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএম-এর সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী  বলেন, ফিনটেক এখন বাস্তবতা। বর্তমানে একটি প্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছি। তার জন্যে নতুন নতুন প্রযুক্তি আত্মস্থ করতে হবে। ব্যাংকিং অনেক বেশী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। পুরানো ধ্যান ধারণাকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে প্রযুক্তি নির্ভর সেবা নিয়ে আসতে হবে যুগের দাবির সাথে তাল মিলিয়ে। ব্যাংক যত সত্তর তা গ্রহণ করবে তত উত্তম। প্রযুক্তি ও ব্যাংকিং পরষ্পর সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। প্রযুক্তিকে আরও বেশি  অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের জনবল কে সমৃদ্ধ করতে হবে।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোমিনুল ইসলাম বলেন, আর্থিক খাতের অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে ব্যাংক চেইন। এর মাধ্যমে ভূমি রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও কর আদায় এমনকি ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণও সহজ হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশিয়ালিস্ট এ. কে. এম. আব্দুল্লাহ বলেন, ব্যংকিং খাতে অনেক ইস্যু আছে যেখানে সব ব্যাংক পারষ্পরিক সংযোগ ও সহযোগিতা করে কাজ করতে পারে। এতে ব্যাংকগুলো মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অর্থসূচক/জেডএ/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ