পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে অগ্রগতি হয়েছে: দুদক চেয়ারম্যান

জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের নির্দেশনা মেনে পাচার অর্থ উদ্ধারের ক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। এরই মধ্যে একাধিক মানি লন্ডারিং মামলায় সিঙ্গাপুর থেকে ২ দশমিক ০৬ মিলিয়ন সিঙ্গাপুরি ডলার ও ০ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার ফেরত আনা হয়েছে। অন্যান্য দেশে পাচার অর্থ ফেরত আনতে ওই সব দেশের কাছে আইনি প্রক্রিয়ায় চিঠি পাঠানোসহ নানাভাবে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।

ফাইল ছবি

মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদ আনকাকের অষ্টম সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এসব কথা বলেন। দুদক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ওই সম্মেলনে অংশ নিয়েছে।

ইকবাল মাহমুদ বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন, প্রতিরোধ, দুর্নীতিবিরোধী নানা তৎপরতার কথা তুলে ধরেন সম্মেলনে। তিনি আরও বলেন, বিদেশ থেকে পাচার টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের পাচার ০ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিয়েছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। দুর্নীতিবাজদের কোনো পরিচয় বিবেচনা না করে নিরপেক্ষভাবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি এখন আর কোনো দেশের একক সমস্যা নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা। একক কোনো দেশের একক চেষ্টায় দুর্নীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমিয়ে আনাও বেশ কঠিন। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বৈশ্বিক ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের ভূমিকাকে বাংলাদেশ দৃঢ়তার সঙ্গে সমর্থন করে আসছে।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান ও ভিয়েনা মিশনে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আবু জাফর প্রমুখ।

অর্থসূচক/এমএস