বায়ু দূষণে নাকাল রাজধানীবাসী
শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বায়ু দূষণে নাকাল রাজধানীবাসী

দিন দিন বায়ু দূষণের পরিমান বেড়েই চলেছে। রাজধানীর সর্বত্রই যেন এখন ধূলাবালিতে একাকার। বলা যায় ধূলায় নাকাল নগরবাসী। শীতের আগমনীর সময় প্রকৃতি যেখানে কুয়াশার চাদরে ঢেকে কথার কথা সেখানে রাজধানীর সববিছুই ঢেকে যাচ্ছে ধূলার চাদরে। ধূলার যন্ত্রণায় এখন ঢাকা শহরের রাস্তায় নামাই যাচ্ছে না।

ছবি: অর্থসূচক/মেহেদী হাসান রানা

ঢাকার দুই সিটির দুয়েকটি সড়ক ছাড়া রাজধানীর ছোট বড় সব রাস্তায়ই এখন ধূলাবালিতে একাকার। ঘরবাড়ি, স্কুল, মাদরাসা, অফিস, আদালত সবই হচ্ছে ধূলায় ধূসর। এ বছর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য বছরের তুলনায় বেড়েছে ধূলার পরিমাণ।

ছবি: অর্থসূচক/মেহেদী হাসান রানা

বর্ষাকালে রাজধানীতে বাতাসের মান কিছুটা ভালো থাকলেও শীত এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আবার খারাপ হতে শুরু করে। ধূলার যন্ত্রণায় এখন ঢাকা শহরের রাস্তায় নামাই যাচ্ছে না। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির দুয়েকটি সড়ক ছাড়া রাজধানীর ছোট বড় সব রাস্তায়ই এখন ধূলাবালিতে একাকার। এর সঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও।

ছবি: অর্থসূচক/মেহেদী হাসান রানা

বেহাল সড়ক আর ধুলার রাজত্বে রাজধানীর সড়কে প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা।

ছবি: অর্থসূচক/মেহেদী হাসান রানা

শীতের দিনে ধূলায় সড়কের অবস্থা এমন হয়ে যায় যে বোঝার উপায় থাকে এটা কুয়াশা না ধুলা। কেউ যদি এসি গাড়িতে বসে বাইরের চিত্র দেখে তাহলে তার মনে হতে পারে এটা কুয়াশা।

ছবি: অর্থসূচক/মেহেদী হাসান রানা

বিভিন্ন সড়কে উন্নয়ন ও রাস্তার পাশে বিভিন্ন কনস্ট্রাকশনের ফলেও বাড়ছে এই বায়ু দূষণ।

ছবি: অর্থসূচক/মেহেদী হাসান রানা

যেখানে গত রোববারও বায়ু দূষণে বিশ্বের দূষিত সব শহরকে পেছনে ফেলে শীর্ষ অবস্থানে উঠে আসে ঢাকা। তবে কিছুক্ষনের মধ্যে অবস্থানের পরিবর্তন হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এয়ার ভিজ্যুয়ালে এ তথ্য উঠে আসে।

সে সময় ঢাকায় এ সময় বায়ু দূষণের পরিমাণ ছিলো ২৩৭ পিএম। ২৩৬ পিএম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলো মঙ্গোলিয়ার উলানবাটোর। ১৯৭ পিএম নিয়ে আফগানিস্তানের কাবুল তৃতীয়, ১৯১ পিএম নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর চতুর্থ, ১৮৩ পিএম নিয়ে চীনের চেংদু পঞ্চম এবং ১৮২ পিএম নিয়ে ষষ্ঠ ছিলো ভারতের দিল্লি।

তাই নাকাল রাজধানীবাসী চাই এই দূষিত শহর থেকে মুক্তি। তাদের এখন একটাই প্রত্যাশা একটি স্বাস্থ্যকর নিরাপদ জীবন।

 

অর্থসূচক/এমআরএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ