ArthoSuchak
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে কেনাকাটায় ক্ষতি ৩১ কোটি টাকা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক প্রকল্পে দুর্নীতির কারণে পৃথক চারটি মামলায় মোট ৩১ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার গণপূর্ত অধিদফতরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

ফাইল ছবি

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। দুদকের গণসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমরা খুব দ্রুততম সময়ের ভিতর এই প্রকল্পের দুর্নীতির অনুসন্ধান, মামলা ও চার্জশিটের ব্যবস্থা করেছি। মামলার অনুমোদন দেওয়ার পরে অনুসন্ধানী কর্মকর্তারা প্রয়োজনমতো এই ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

তিনি বলেন, শুধু এই প্রকল্পই নয়, দেশের সব মেগা প্রকল্পগুলোর উপর দুদকের নজরদারি রয়েছে। আলাদা আলাদা কর্মকর্তাদের ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ নজরদারি রাখার নির্দেশনা দেওয়া আছে।

রূপপুর বালিশকাণ্ডের মূল হোতা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিল্লুর রহমানকে কোনো মামলার আসামি করা হয়নি কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা হয়তো আগত আসামি সম্পর্কে ধারণা রাখেন। কারো নাম এখনো মামলায় আসেনি বলে যে ভবিষ্যতে আসবে না এমন নয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ভর্তি ও কোচিং ব্যবসায়ীদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে যারা দুর্নীতি করবে তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা চাই না কারো শিক্ষাজীবনের শুরু হোক অবৈধ বা অসদুপায় অবলম্বনের মাধ্যমে। শুধু ভর্তি বাণিজ্য, কোচিং বাণিজ্যই নয় নজরদারি রাখা হবে গাইড বাণিজ্যের উপরেও।

জাহাঙ্গীরনগরের ভিসির দুর্নীতির ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ আছে কিনা জানতে চাইলে ইকবাল মাহমুদ বলেন, কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। দুর্নীতির তথ্য পেলেই আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা তথ্য দিন আমরা বিষয়টা দেখবো।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ