'দেখতে দেখতে ১১ বছর, আন্দোলন হবে কোন বছর'
শনিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘দেখতে দেখতে ১১ বছর, আন্দোলন হবে কোন বছর’

বিএনপির আন্দোলনের হুমকি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেখতে দেখতে ১১ বছর। আন্দোলন আর কোন বছর?

তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। কারণ বিএনপি জঙ্গিবাদের প্রশ্রয়দাতা, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক।

আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির রাজনীতি চোরাবালিতে আটকে গেছে। বিএনপিকে নিয়ে বিচলিত হবেন না। বিএনপি এখন নালিশ পার্টি। প্রেস ব্রিফিং আর নালিশ করা ছাড়া বিএনপির আর কোনও অবলম্বন নেই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার ডাইরেক্ট অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যুরা সাবধান। দাগী সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজরাই অনুপ্রবেশকারী। ক্লিন ইমেজ, ভালো লোকদের আপনারা দলে স্থান দেবেন।

তিনি বলেন, আত্মীয়-স্বজন দিয়ে পকেট কমিটি দিয়ে রাজনীতি করবেন না। আওয়ামী লীগে পকেট কমিটির কোনও প্রয়োজন নেই। ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। ছবি ঝুলিয়ে, বিলবোর্ড দখল নিয়ে প্রচার করা যাবে, নেতা হওয়া যাবে না। নেতা হতে হলে কর্মীবান্ধব হতে হবে। পরিচ্ছন্ন হতে হবে।

বিএনপির মহাসচিবকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনার মুখে দুর্নীতি বিরোধী কথা শুনলে হাসি পায়। এ যেনো ভুতের মুখে রাম নাম। আপনাদের সময়ে দেশ দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যেী তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে নেতা যত বাড়ছে, কর্মী তত কমছে। এখন পোস্টার লাগানোর মতো কর্মী খুঁজে পাওয়া যায়না। সবাই এখন নেতা হয়ে গেছে। বিলবোর্ডে ছবি দিয়ে নেতা হওয়া যায় না। নেতা হতে গেলে নেতৃত্বে র গুণাবলী অর্জন করতে হয়। কর্মীদের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়। পকেট কমিটি দিয়ে নেতা হওয়া যায় না। দল ভারী করার জন্য খারাপ লোকদের দলে আনবেন না। আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই।

সম্মেলনের প্রথম পর্ব উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভাতিজা শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি।

নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ও জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুজিত অধিকারীর সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক হুইপ আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ