পেঁয়াজের কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে
মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পেঁয়াজের কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

দেশে চাল, শাক সবজি, মসলা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিকভাবে ০.৫৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা গত অক্টোবরে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। শুধু খাদ্যে ০.৮০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির এই তথ্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

মূল্যস্ফীতি বাড়ার বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নভেম্বরের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয়টি খুবই পরিষ্কার, আমরা গোপন করিনি। একনেক সভায় আমরা মন্তব্য করেছিলাম, মূল্য বৃদ্ধির প্রধান নায়ক হলো পেঁয়াজ। নতুন পেঁয়াজ নামার পরে পরে আরও স্থির হবে, মূল্য কমবে বলে আমার আশা।

এ সময় এক সাংবাদিক বলেন, গত ৫/৭ বছর ধরে দেখে আসছি, যে মাসে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়ে, ওই মাসে খাদ্য বর্হিভূত মূল্যস্ফীতি কমে। আবার যে মাসে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বাড়ে, ওই মাসে খাদ্যে কমে। এটা ঘরে বসে সরেজমিন ধরনের হয়ে গেছে কি না? সরকার নিয়ন্ত্রিত যে লক্ষ্য, সেটা যেন স্থির থাকে, সেই অনুযায়ী বিবিএস কাজ করছে কি না? বাজারের সাথে এর কোনো মিল নাই। শুধু পেঁয়াজ নয়, চাল, ডাল, তেল, মরিচ, শবজি, মাছ, মাংস – কোনো কিছুরই দাম কম নাই।

এর জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটা আপনার ধারণা। এটাকে আমি সম্মান করি, তবে একমত নাও হতে পারি। তাছাড়া আমরা সেক্টর অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি দিচ্ছি না, এটা বাড়ছে, স্বীকার করি।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে নভেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে শতকরা ৬ দশমিক ৪১ ও ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ, যা গত অক্টোবরে ছিল যথাক্রমে শতকরা ৫ দশমিক ৪৯ ও ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

গ্রামীণ পর্যায়ে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৬ দশমিক ০১ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নভেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে শতকরা ৬ দশমিক ৫৪ ও ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল যথাক্রমে শতকরা ৫ দশমিক ৫৬ ও ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

শহর পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ১২ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। নভেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৬ দশমিক ১১ ও ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ৫ দশমিক ৩১ ও ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ।

গত এক বছরের (২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) চলন্ত গড় মূল্যস্ফীতর হার ছিল শতকরা ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ বলেও জানিয়েছে বিবিএস।

অর্থসূচক/এমআরএম/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ