নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোতে ঝুঁকি বাড়ছেই
শনিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোতে ঝুঁকি বাড়ছেই

অনিয়ম, দুর্নীতি এবং আগ্রাসী ব্যাংকিংয়ে জড়িয়ে পড়ায় দিন দিন বেড়েই চলেছে নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ। পরিচালকদের ঋণ ভাগাভাগির অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে চতুর্থ প্রজন্মের নয় ব্যাংকের ঘাড়ে নতুন করে চেপেছে ৭২৭কোটি ৮৫ লাখ টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক নির্দেশনার পরেও শৃংখলার ভিতরে আসেনি তারা। ফলে হুমকিতে পড়েছে এসব ব্যাংক, ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে আর্থিক খাত। রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব ব্যাংকগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। একারণেই নিয়মে কোন তোয়াক্কা করছে না তারা। এসব সমস্যা সমাধানে ব্যাংক নিয়ন্ত্রনকারী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ৯ ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র তিন মাস আগে এই খেলাপির পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ২৮ কোটি টাকা। সুতরাং তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৭২৮ কোটি টাকা। এক বছর আগেও ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ছিল আরও কম। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে এই ৯ ব্যাংকের মোট খেলাপি ছিল ৪২২৮ কোটি টাকা। সুতরাং এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি বেড়েছে প্রায় ১ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা।

ব্যাংকভিত্তিক খেলাপি ঋণের তালিকা (কোটি টাকায়)

উল্লেখ, আলোচ্য সময়ে পুরো ব্যাংকিং খাতেরই খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নানা তৎপরতা ও সুযোগ সুবিধার পরও কমেনি খেলাপি ঋণ। বরং বেড়েছে। নতুন অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ বেড়েছে। যা মোট বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ১২শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৯ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

অর্থসূচক/জেডএ

এই বিভাগের আরো সংবাদ