অর্থপাচার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ট্রেড বেজে: দুদক চেয়ারম্যান
সোমবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

অর্থপাচার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ট্রেড বেজে: দুদক চেয়ারম্যান

অর্থপাচারের বেশি মামলা হওয়া উচিত এনবিআরে। আমাদের ধারণা ট্রেড বেজে (ব্যবসা-বাণিজ্য) অর্থপাচার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। ক্যাপিটাল মেশিনারি, ক্যাপিটাল গুডস আমদানি রপ্তানির ক্ষেত্রে ভ্যাট রেয়াতের ফাঁকে দাম কম দেখিয়ে বা বেশি দেখিয়ে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে আমাদের অর্থগুলো।

আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‍্যাক) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবার মাহমুদ এ সব কথা বলেন।

ইকবার মাহমুদ বলেন, কেউ অর্থপাচার মামলা না করলেও আমরা পর্যবেক্ষণে রাখছি। অবৈধ অর্থই পাচার হয়। লিগ্যাল ট্যাক্সে যারা কাজ করে তারা বুঝতে পারেন। প্রাইভেট সেক্টরে বা সরকারি কর্মচারীরা আছেন তারা এত টাকা পাচার করতে পারেন বলে আমাদের মনে হয় না। আমার বিশ্বাস হয় না, হুন্ডির মাধ্যমে এত টাকা বিদেশে পাচার করা যায়।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, যে কোন ব্যাংকে নগদ টাকা রাখতে গেলেই সেই টাকা ব্যাংক নিতে চায় না। আগে জানতে চায় টাকার সোর্স কি। সেটা আমাদের দেশে বা দেশের বাইরে। আমরা চাই না কেউ বিনা কারণে হয়রানি হোক। সে জন্য সাবধানে অভিযোগগুলো অনুসন্ধান করা হয়। মানিলন্ডারিং তদন্ত জটিল, সে জন্য নির্দিষ্ট সময় প্রতিবেদন দেয়া যায় না। সকলের সম্মিলিত চেষ্টা ছাড়া দুর্নীতি দূর করা যাবে না। অর্থপাচারের ঘটনা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মামলা না করলে, দ্বায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধ দুদক ব্যবস্থা নেবে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর দুদকের কার্যক্রম ঊর্ধ্বমুখী। তদন্ত, অনুসন্ধান সবই বাড়ছে। আমাদের ওপর জন-আস্থা বেড়েছে। ফাঁদ মামলাও হয়েছে অনেকগুলো। ফাঁদ মামলার কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষের প্রবণতা কমেছে। আমরা দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছি। গণশুনানির সংখ্যা বেড়েছে। মামলায় সাজার হারও বেড়েছে। কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছি। সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিতেও কাজ করা হচ্ছে।কোনও মানুষ যেন হয়রানি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।

অর্থসূচক/এমআরএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ